চেক আপের সময় ডাক্তারকে যে প্রশ্নগুলো জিজ্ঞাস করবেন | হেলথ বার্তা
,
আপডেট

চেক আপের সময় ডাক্তারকে যে প্রশ্নগুলো জিজ্ঞাস করবেন

স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ হয়ে থাকলে নিশ্চয়ই আপনি নিয়মিত ডাক্তারের কাছে গিয়ে নিজের চেক আপ করিয়ে নেন। এ সময়ে অনেক প্রশ্নই থাকে আমাদের মনে। তবে এমন কিছু প্রশ্ন আপনি করতে পারেন যেগুলো আপনার স্বাস্থ্যের উপকারে আসবে সব সময়েই। এ কারণে জেনে রাখুন বেশ দরকারি প্রশ্নগুলো। এর পর চেকআপ করাতে গেলে ভুলবেন না এই প্রশ্নগুলো করতে।

১) প্রশ্নের তালিকা তুলে ধরুন অ্যাপয়েন্টমেন্টের শুরুতেই

যা যা জানতে চান তা লিখে তালিকা করে নিয়ে যান। অ্যাপয়েন্টমেন্টের শেষে বিভিন্ন প্রশ্নের অবতারনা করলে সময়ের অভাবে ডাক্তার হয়তো উত্তর নাও দিতে পারেন, অথবা আপনি যা জানতে চান তা জানা নাও হতে পারে। সাধারনত একেক রোগীর পেছনে ২০ মিনিটের মতো সময় ব্যয় করা হয়।

এ কারণে অ্যাপয়েন্টমেন্টের শুরুতেই তাকে প্রশ্ন জিজ্ঞেস করে নিন। তিনি আপনার শারীরিক অবস্থার ব্যাপারে আরও পরিষ্কার ধারণা পাবেন। ফলে চেকআপ ভালো যাবে।

২) জেনে নিন বিভিন্ন ভ্যাকসিনের ব্যাপারে

ভ্যাকসিন শুধুই বাচ্চাদের জন্য নয়। বরং প্রাপ্তবয়স্কদের জন্যও অনেক ভ্যাকসিন আছে যেগুলো আপনাকে বিভিন্ন জটিল রোগবালাই থেকে দূরে রাখবে। এ ব্যাপারে ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করুন। শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে আপনার কী কী টিকা নেওয়া দরকার ডাক্তার আপনাকে বলে দেবেন।

৩) সন্তান ধারণের ব্যাপারে জেনে নিন

একটা বয়সের পর আপনার গর্ভধারণের ক্ষমতা কমে যেতে থাকে। এবং এ ব্যাপারে অনেকটা লজ্জা ও জড়তার কারণে রোগীরা প্রশ্ন করতে চান না। কিন্তু এ ব্যাপারে জেনে নেওয়াটা প্রয়োজন।

বিশেষ করে আপনি ভবিষ্যতে সন্তান ধারণ করতে চাইলে তা করতে পারবেন কি না, কোন সময়ে আপনি সন্তান ধারণ করলে ভালো হবে, এর জন্য কি কি করতে হবে এগুলো জেনে নেওয়াটা ভালো। এই ব্যাপারটা মাথায় রেখেই তখন আপনার চিকিৎসা করতে পারবেন তিনি।

  (এই বিষয়গুলোর উপর ভিডিও বা স্বাস্থ্য বিষয় ভিডিও দেখতে চাইলে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি - ঠিকানা - YouTube.com/HealthBarta)

৪) যে প্রশ্নটা করতে অনেকে দ্বিধাবোধ করেন

শরীর সুস্থ রাখার জন্য স্বাস্থ্যকর একটি ওজন বজায় রাখা জরুরী। অনেক ক্ষেত্রে ডাক্তার নিজেই আপনাকে বলে দেবেন আপনার বর্তমান ওজন ঠিক আছে কিনা, অথবা আপনার ওজন কমানো বা বাড়ানোর দরকার আছে কী না। তিনি যদি না বলে থাকেন তবে আপনার প্রশ্ন করে জেনে নেওয়া ভালো। এরপর আপনার ওজন কমানোর ব্যাপারে তিনি কিছু দিক নির্দেশনা দিতে পারবেন।

৫) আপনার ফ্যাট খাওয়ার ব্যাপারে জেনে নিন

ফ্যাট ভালো খারাপ দুই ধরনেরই হয়। আপনার খাদ্যভ্যাসে ভালো ফ্যাটটি যথেষ্ট আছে কি না তা জেনে রাখুন ডাক্তারের থেকে। আপনার দেহের কোলেস্টেরল লেভেলের ওপর এর বড় প্রভাব থাকে। একেবারে ফ্যাটজাতীয় খাবার খাওয়া বন্ধ না করে ভালো ধরণের ফ্যাট বেশি খাওয়া দরকার।

৬) সত্যি বলতে লজ্জা পাবেন না

আপনার কোনো ব্যক্তিগত ব্যাপার নিয়ে কথা বলতে ভয় পাবেন না, অথবা সংকোচ বোধ করবেন না। ডাক্তারের কাছে প্রতিদিন অনেক রোগীই আসেন। তিনি অনেক বিব্রতকর পরিস্থিতি সামাল দিয়ে অভ্যস্ত। সুতরাং আপনি নিসসংকোচে নিজের সমস্যার কথা বলে ফেলুন। তিনি পেশাগত দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই সমস্যার সমাধান করবেন। আর কোনো কিছুই লুকাবেন না। কোনো জরুরী তথ্য চেপে গেলে তার চিকিৎসায় ভুল হতে পারে।

৭) পরের চেকআপ কবে করাতে হবে জেনে যান

অনেকেই বাৎসরিক একটা চেকআপ করিয়ে থাকেন। কিন্তু অনেক সময়ে আপনার স্বাস্থ্যের অবস্থা ভালো থাকলে ২-৩ বছরেও চেকআপ দরকার হয় না। কারো কারো আবার কোনো জটিলতা থাকলে কয়েক মাস পর পর ডাক্তারের সাথে দেখা করতে হতে পারে। এ কারণে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে জেনে নিন এরপর আপনার আবার কবে আসতে হবে।

বিশেষ মুহূর্তে যৌন দুর্বলতা, শুক্র স্বল্পতা, মিলনে সময় সময় কম, লিঙ্গের শিথিলতা সহ যে কোন যৌন সমস্যায় অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং স্থায়ী চিকিৎসা গ্রহন করুন। যোগাযোগ করুন ডাক্তার নাজমুলঃ 01799 044 229

আপডেট পেতে লাইক দিন আমাদের ফেসবুক পেজে