,
আপডেট

যে ৭টি ভুলে কমছে না আপনার ভুঁড়ি

ভুঁড়ির মেদ কমিয়ে সুন্দর অ্যাবসের অধিকারী হবার ইচ্ছে থাকে অনেকেরই। প্রচলিত ধারণা হলো, পেটের ব্যায়াম বিশেষ করে ক্রাঞ্চ করতে থাকলেই এক সময় না এক সময়ে ঝরে যাবে মেদ এবং সে জায়গায় দারুণ আকর্ষণীয় অ্যাবস এসে পড়বে। কিন্তু আসলেই কি তাই?

বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে ভুঁড়ির মেদ কমানোর প্রক্রিয়াটি এতো সহজ-সরল নয়। শুধু তাই নয়, বাকি শরীরকে বাদ দিয়ে শুধু পেটের ব্যায়াম করলে ঝটপট মেদ ঝরে যাবে, এ ধারনাটিও ভীষণ ভুল। ব্যায়াম করলে শরীরের কোন এলাকা থেকে মেদ কমবে, সেটা পুরোটাই নির্ভর করে প্রকৃতির ওপর।

যখন একটি পেশি কাজ করা শুরু করে তখন মস্তিষ্ক সংকেত পায় যে শরীরের কোনো এক জায়গায় শক্তি অর্থাৎ চর্বি খরচ করা দরকার। কিন্তু এর জন্য সারা শরীরের বিভিন্ন এলাকা থেকেই চর্বি ব্যবহৃত হয়, শুধু যেখানের পেশি কাজ করছে সেখানের চর্বি নয়। তাই মেদ ঝরানোর জন্য আমাদের ভুল ধারণা বাদ দিয়ে শরীরের ব্যাপারে কিছু তথ্য জেনে রাখা দরকার।

১)পুরো শরীরের ব্যায়াম করতে হবে

শুধু মাত্র পেটের মেদ কমানোর উদ্দেশ্য নিয়ে পেটের ব্যায়াম করলেই পেটের মেদ কমবে, এ ভুল ধারণা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। শুধু তাই নয়, এমন ব্যায়াম করতে হবে যাতে পুরো শরীরের মেদের ওপর প্রভাব পড়ে। স্ট্রেংথ ট্রেইনিং, কার্ডি‌ও এবং খাদ্যভ্যাস- সবকিছুর ওপরেই মনোযোগ দিতে হবে।

২)স্ট্রেংথ ট্রেইনিং

ওয়েইট লিফটিং এর মত কাজগুলো করে পেশির কার্যক্ষমতা বাড়ানোর পেছনে অনেক্তা শক্তি খরচ হয়, যাতে পুরো শরির থেকেই ঝরতে থাকে মেদ। এতে শরীরের সব অঙ্গ থেকেই মেদ ঝরে গিয়ে ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহাজ্য করে।

৩)কার্ডি‌ও

নিউট্রিশন এক্সপার্ট বেন গ্রিনফিল্ডের মতে খালিপেটে দৌড়ানোর মত কার্ডি‌ও এক্সারসাইজ করলে সেটা শরীরের চরবি জমে থাকা অঙ্গগুলোর উপকারে আসে খুব তাড়াতাড়ি।

  (এই বিষয়গুলোর উপর ভিডিও বা স্বাস্থ্য বিষয় ভিডিও দেখতে চাইলে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি - ঠিকানা - YouTube.com/HealthBarta)

৪)খাদ্যভ্যাস

অনেকেই ব্যায়াম করছেন বলে খাদ্যভ্যাসের ব্যাপারে মোটেই মনযোগী হন না। তারা মনে করেন, ব্যায়াম ত করছিই, খাওয়া দাওয়া নিয়ন্ত্রণের কি দরকার। কিন্ত মেদ ঝরানোর ক্ষেত্রে সঠিক খাদ্যভ্যাস খুব জরুরী।

এমন একটি খাদ্যভ্যাস বেছে নিন যাতে অনেকটা প্রোটিন খেতে হয়, ফল ও সবজি খাওয়া হয় বেশ অনেকটা এবং স্বাস্থ্যকর তেল-চর্বি খাওয়া হয়। কমিয়ে দিতে হবে প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, চিনি এবং অ্যালকোহলের পরিমাণ।

৫)একেবারে বেশি খেয়ে ফেলা

কি খাচ্ছেন তা যেমন জরুরি, তেমনি কিভাবে খাচ্ছেন তার দিকে মনোযোগ দেওয়াটাও কিন্তু খুবই জরুরি। আমাদের সাধারন একটি অভ্যাস হলো দিনে তিনবেলা পেটপুরে ভাত খেয়ে ফেলা।

একবারে এত বেশি খেয়ে ফেলার ফলে যেমন শরীরে আলস্য চলে আসে তেমনি ভুঁড়ি বাড়তে থাকে। ভুঁড়ি কমাতে হলে অল্প অল্প করে কয়েক বারে খাবার খেতে হবে, যাতে পেট খালিও না থাকে আবার বেশিও খাওয়া না হয়।

৬)দীর্ঘ সময় বসে থেকে কাজ করা

কাজের খাতিরে দিনের একটা বড় সময় ডেস্কে বসেই থাকতে হয় অনেককে। তার ওপর অনেকে পেটের ওপর ভর দিয়ে কুঁজো হয়ে বসেন। এতে যে পেটের মেদ আরও বাড়ে তার ব্যাপারে জানা নেই অনেকেরই।

এভাবে কুঁজো হয়ে বসা বন্ধ করে শিরদাঁড়া সোজা করে বসুন। আর সুযোগ পেলেই একটু হাঁটাহাঁটি করে আসুন অথবা দাঁড়িয়ে পড়ুন। এছাড়া ডেস্কে বসে বা দাঁড়িয়ে কম সময়ে কিছু ব্যায়াম করে ফেলা যায় যেগুলো আপনার কাজে লাগতে পারে।

৭)অপর্যাপ্ত ঘুম

একটি ভুল ধারণা অনেকের মাঝেই আছে আর তা হলো কম ঘুমালে মেদ কমে যাবে। অথচ গবেষণায় প্রমাণিত একটি তথ্য হলো, যথেষ্ট ঘুম না হলে শরীরে মেদ আরও জমতে থাকে। তাই মেদ কমানোই যদি আপনার উদ্দেশ্য হয়ে থাকে তবে রাতে পর্যাপ্ত পরিমানে ঘুমাতে হবে।

বিশেষ মুহূর্তে যৌন দুর্বলতা, শুক্র স্বল্পতা, মিলনে সময় সময় কম, লিঙ্গের শিথিলতা সহ যে কোন যৌন সমস্যায় অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং স্থায়ী চিকিৎসা গ্রহন করুন। যোগাযোগ করুন ডাক্তার নাজমুলঃ 01799 044 229

আপডেট পেতে লাইক দিন আমাদের ফেসবুক পেজে

Leave a Reply