,
আপডেট

গর্ভধারণের পূর্বে এবং পরে যে প্রস্তুতিগুলো অবশ্যই নিতে হবে

গর্ভধারণ মানবজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে একজন নারী হয়ে ওঠেন মা, এবং একজন পুরুষ হয়ে ওঠেন বাবা। জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পর্কের পদবী তারা পেয়ে যান।

তবে গর্ভধারণের আগে এবং পরে পরিকল্পনা করা অবশ্যই বাঞ্ছনীয়। তা না হলে গর্ভধারণটি হয়ে যেতে পারে অনেক ঝুঁকিপূর্ণ। আসুন, আজ জানা যাক গর্ভধারণের পূর্বে ও পরে যেসব বিষয়ে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।

গর্ভধারণের পূর্বে যেগুলো ভেবে দেখবেন-

১. সিদ্ধান্ত :

গর্ভধারণের আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি তা হল সিদ্ধান্ত গ্রহণ। আপনি এখন বাচ্চা নিতে চাইছেন কিনা এই সিদ্ধান্তটি আপনাকে গ্রহণ করতে হবে। এটা মোটামুটিভাবে বাবা-মা দুজনেরই সিদ্ধান্ত। দুজনের মতামত ভিন্ন হলে চলবে না।

একজন চাইছেন বাচ্চা নিতে, আরেকজন চাইছেন না এমন হলে সমস্যায় পড়তে হবে। দুজনকেই একমত পোষণ করতে হবে। দুজনকেই আসন্ন নবজাতক সম্পর্কে ভাবতে হবে।

২. ক্যারিয়ার :

আপনি হয়ত অনেক ক্যারিয়ার সচেতন একজন মানুষ। আপনাকে ভাবতে হবে আপনার ক্যারিয়ার কতটুকু এগিয়ে নিয়ে তারপরে বাচ্চা নিবেন। এর উপর ভিত্তি করে বাচ্চা নেয়ার সিদ্ধান্ত নিন। ক্যারিয়ারের কথা ভেবে আবার বেশি দেরি করে বাচ্চা নেয়ার সিদ্ধান্ত কিছুটাসমস্যারও তৈরি করতে পারে।

৩. আর্থিক স্বচ্ছলতা :

একজন নতুন মানুষকে আপনি পৃথিবীতে নিয়ে আসতে চাইছেন। এর জন্য আপনাকে ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে। সেই নতুন মানুষটির পৃথিবীতে আসার পর যেন কোনো ধরনের সমস্যায় সে না পড়ে সেদিকটা খেয়াল রেখে বাচ্চা নেয়ার সিদ্ধান্তটি নিতে হবে।

  (এই বিষয়গুলোর উপর ভিডিও বা স্বাস্থ্য বিষয় ভিডিও দেখতে চাইলে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি - ঠিকানা - YouTube.com/HealthBarta)

৪. শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতি :

একজন মানবশিশুকে দেহে ধারণ করবেন। এর জন্য মায়েদের কিছুটা শারীরিক এবং মানসিক প্রস্তুতির প্রয়োজন রয়েছে। শরীরকে রোগমুক্ত রাখা, সুস্থ রাখা এবং বাচ্চা ধারণের জন্য প্রস্তুত করে তুলতে হবে, পাশাপাশি মানসিকভাবের প্রস্ততি নিতে হবে। এসব কাজে বাবাকেও সহায়তা করতে হবে, স্ত্রীকে মানসিকভাবে শক্তির যোগান দিতে হবে।

কেননা গর্ভধারণের ফলে শরীরে বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তন দেখা দেয়। মা যদি মানসিক এবং শারীরিকভাবে প্রস্তুত না থাকে তাহলে নবজাতক শিশুর জন্য বিপজ্জনক হবে। বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যা যেমন ডায়বেটিস, হাইপারটেনশন, হার্টের সমস্যা এগুলোকে নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন।

গর্ভধারণের পরে যেসব বিষয়ে পরিকল্পনা করবেন-

১. ডেলিভারীর স্থান :

গর্ভধারণ করার পরে সবার প্রথমে যে পরিকল্পনাটি করবেন তা হল আপনি কোথায় ডেলিভারী করাবেন সেই জায়গা ঠিক করা। প্রয়োজনে আগে থেকেই বুকিং দিয়ে ফেলুন। কারণ কবে কখন ব্যথা উঠবে, তখন কোথায় নিয়ে যাবেন তা নিয়ে ভাবতে হবে না। ফলে আসন্ন বাচ্চার কোনো ক্ষতির সম্ভাবনা থাকবে না।

২. প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ :

গর্ভে ধারণ করা নবজাতক শিশুর ডেলিভারীর জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা আগে থেকেই গ্রহণ করে রাখুন। যেমন ডাক্তার, নার্স, প্রয়োজনীয় কাপড় চোপড় ইত্যাদি। এর ফলে এসবের জন্য পরবর্তীতে দৌড়াদৌড়ি করতে হবে না।

৩. বাচ্চার নাম :

বাবা মায়েরা আনন্দেই আসন্ন বাচ্চার নাম নিয়ে অনেক চিন্তা ভাবনা করে থাকেন। তারা ভাবেন ছেলে হলে একটা নাম আর মেয়ে হলে আরেকটা নাম রেখে দেন। বাচ্চার নাম আগে থেকেই রাখতে পারেন।

বিশেষ মুহূর্তে যৌন দুর্বলতা, শুক্র স্বল্পতা, মিলনে সময় সময় কম, লিঙ্গের শিথিলতা সহ যে কোন যৌন সমস্যায় অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং স্থায়ী চিকিৎসা গ্রহন করুন। যোগাযোগ করুন ডাক্তার নাজমুলঃ 01799 044 229

আপডেট পেতে লাইক দিন আমাদের ফেসবুক পেজে

Leave a Reply