,
আপডেট

যেভাবে রেহাই পাবেন মরণব্যাধি ‘দুশ্চিন্তা’ থেকে

মানুষ যেকোনো বিষয়েই চাপ অনুভব করতে পারে অথবা হয়ে পড়তে পারে উদ্বিগ্ন বা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত। বিশেষ করে জটিল পরিস্থিতি, যার মুখোমুখি আগে কখনো হতে হয়নি, এমন পরিস্থিতিতে পড়লে মানুষ চাপ অনুভব করতেই পারে।

তবে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে চাপ অনুভব করা বা উদ্বিগ্নতা নিয়মিত বিষয় পরণিত হয়। এই মানুষগুলো যেকোনো কিছুতেই চাপ অনুভব করেন, অনুভব করেন উদ্বিগ্নতা। কিন্তু খুব কম মানুষই জানে, নিয়মিত উদ্বিগ্নতা বা চাপ অনুভব করা কতখানি ক্ষতিকর।

সহজ কথায় বলতে গেলে বলতে হয়, বিষয়টা লঘুবিষের মতো দিন দিন মানুষকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। দুঃশ্চিন্তা বা উদ্বিগ্নতা এমন একটা রোগ, যা থেকে সহজে পরিত্রাণ পাওয়ার কোনো উপায় নেই।

নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি যেমন বললেই মাদকাসক্তি ত্যাগ করতে পারে না, একইভাবে এই মানুষগুলোও চাইলেই দুঃশ্চিন্তা থেকে নিজেকে মুক্ত করতে পারে না। এর জন্য দরকার দীর্ঘ অনুশীলন এবং ধৈর্য। আসুন জেনে নেওয়া যাক,

কোন কাজগুলো করলে নিজেকে দুঃশ্চিন্তামুক্ত রাখতে পারে একজন মানুষ-

  (এই বিষয়গুলোর উপর ভিডিও বা স্বাস্থ্য বিষয় ভিডিও দেখতে চাইলে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি - ঠিকানা - YouTube.com/HealthBarta)
  • এই সমস্যায় আক্রান্ত মানুষগুলোকে প্রথমেই মেডিটেশনের আশ্রয় নিতে হবে। বিক্ষিপ্ত মনকে একাগ্র করতে না পারলে কিছুতেই নিজেকে দুঃশ্চিন্তামুক্ত করা সম্ভব নয়।
  • অনেকে অ্যান্টি ডিপ্রেশন ওষুধ খেয়ে থাকেন এমন সমস্যায়। এই ওষুধ সাময়িক উপকার করলেও এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অত্যন্ত ক্ষতিকর, যা মানুষের মৃত্যুও ঘটাতে পারে।
  • যে কাজটা করতে সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে, সেই কাজটা করতে হবে। নিজেকে সবসময় ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করতে হবে।
  • দুঃশ্চিন্তাগ্রস্ত মানুষ সাধারণত অসামাজিক হয়ে থাকে, অর্থাৎ এরা অন্যদের সাথে মিশতে চায় কম। একসময় এদের মানুষের সাথে মেশার প্রবণতা বা সক্ষমতা হারিয়ে যায়। কিন্তু একমাত্র সামাজিকতাই পারে মানুষকে অনেক সহজভাবে বাঁচাতে।
  • তাছাড়া নিজ সমস্যার কথা অন্যের সাথে আলোচনা করলে অনেক সময়ই সহজ সমাধান বেরিয়ে আসে যা দুশ্চিন্তাকে প্রকারান্তরে কমিয়ে আনে।
  • অনেকগুলো কাজ জমে গেলে এবং তার থেকে দুশ্চিন্তার উদ্ভব হলে সবচেয়ে সহজ কাজটা থেকে শুরু করা উচিত। এতে আত্মবিশ্বাস বাড়তে থাকে এবং পরবর্তী জটিল কাজগুলো সহজ হয়ে যায়।
  • ছুটির দিনে প্রিয় স্থানে বেড়াতে যাওয়া যেতে পারে। সবচেয়ে ভালো হয়, খোলামেলা স্থানে বেড়াতে গেলে। উন্মুক্ত পরিবেশ মানুষের মনকে প্রসারিত করে, যা নতুন উদ্ভাবনী চিন্তাকে তরাণ্বিত করে।
  • সকাল সকাল ঘুম থেকে জাগা এবং রাতে দ্রুত ঘুমিয়ে পড়ার অভ্যাস করতে হবে যেভাবেই হোক। এতে দেহমন চনমনে থাকে।
বিশেষ মুহূর্তে যৌন দুর্বলতা, শুক্র স্বল্পতা, মিলনে সময় সময় কম, লিঙ্গের শিথিলতা সহ যে কোন যৌন সমস্যায় অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং স্থায়ী চিকিৎসা গ্রহন করুন। যোগাযোগ করুন ডাক্তার নাজমুলঃ 01799 044 229

আপডেট পেতে লাইক দিন আমাদের ফেসবুক পেজে

Leave a Reply