,
আপডেট

বাহারি গুণের চন্দন, সঠিক পদ্ধতিতে ব্যবহার করবেন কীভাবে?

রূপচর্চায় ও চিকিৎসায় প্রাচীনতম উপদান এই চন্দন। হাজারো বছর যাবত চলে আসছে এর ব্যবহার আর এখনো চলছে। আপনার ব্যবহৃত যে কোনো প্রসাধন সামগ্রী বা ওষুধের চাইতে অনেক বেশি কার্যকর এই একটি উপাদানটি।

চন্দন আর কিছুই নয়, এক রকমের দারুণ সৌরভ যুক্ত কাঠ। বাজারে চন্দন কাঠের টুকরো, গুঁড়ো ও চন্দনের তেল পাওয়া যায়। কিন্তু আপনি কি জানেন, কীভাবে এই চন্দন ব্যবহার করলে আপনি পাবেন সঠিক ফলাফল? আসুন,জানা যাক নানান রকম রোগে ও সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে চন্দনের জাদুকরী ক্ষমতার কথা।

উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায়-

উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে সাদা চন্দন কাঠ ঘষা ১ চা চামচ নিন। আধা কাপ দুধের সাথে মিশিয়ে খালিপেটে পান করুন। এরপর ৭-৮টি তুলসীপাতা চিবিয়ে খান। কিছুক্ষণের মাঝেই উচ্চ রক্তচাপ কমে যাবে। নিয়মিত ২ থেকে ৩ মাস খেলে ব্রঙ্কাইটিস রোগেও উপকার পাওয়া যাবে।

  (এই বিষয়গুলোর উপর ভিডিও বা স্বাস্থ্য বিষয় ভিডিও দেখতে চাইলে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি - ঠিকানা - YouTube.com/HealthBarta)

ঘামাচির সমস্যায়-

ঘাম ও ঘামাচি দূর করতে চন্দন কাঠ অতুলনীয়। চন্দনের গুঁড়া, হলুদ গুঁড়া ও কর্পূরসহ একত্রে মিশিয়ে শরীরে মাখলে ঘামাচি দূর হবে। এ ছাড়া চন্দনের সঙ্গে বেনামূল ও কর্পূর মিশিয়ে মাখলে অতিরিক্ত ঘাম হবে না।

অন্যান্য রোগের চিকিৎসায়-

গনোরিয়ার চিকিৎসায় চন্দন কাঠের তেল ব্যবহারে উপকার পাওয়া যায়। চন্দন কাঠের গুঁড়া অনেক দিনের পুরনো কফ, মূত্রথলির প্রদাহ নিরাময় ব্যবহার করা হয়।

খাবেন দুধের সাথে মিলিয়ে। চন্দন কাঠের গুঁড়া পানির সঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট করে মাথাব্যথায় প্রলেপ দিলে মাথাব্যথা সেরে যায়। পোড়া ঘায়ে চন্দন কাঠের গুঁড়া পানিতে মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে প্রলেপের মতো লাগালে উপকার পাওয়া যাবে।

ত্বকের জন্য উপকারী-

চর্মরোগ, হাত ও চামড়ার চুলকানিতে চন্দন কাঠের গুঁড়ো পেস্ট বানিয়ে ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যাবে। ব্রণ ও মুখের দাগ দূর করতে চন্দনের গুঁড়ো যে কোন ফেস প্যাকের সাথে মিশিয়ে হিসেবে ব্যবহার করুন।

বিশেষ মুহূর্তে যৌন দুর্বলতা, শুক্র স্বল্পতা, মিলনে সময় সময় কম, লিঙ্গের শিথিলতা সহ যে কোন যৌন সমস্যায় অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং স্থায়ী চিকিৎসা গ্রহন করুন। যোগাযোগ করুন ডাক্তার নাজমুলঃ 01799 044 229

আপডেট পেতে লাইক দিন আমাদের ফেসবুক পেজে

Leave a Reply