,
আপডেট

বিছানায় যে কাজগুলো একেবারেই উচিৎ নয়

রাতের বেলা বিছানায় শুয়ে অনেকেই এপাশ ওপাশ করে রাত পার করে দেন। ঠিকমতো ঘুমাতে পারেন না। অনেকক্ষণ শুয়ে থাকলেও ঘুম আসে না। আসলেও এতো দেরি হয় যে ঘুম পূরণ না হতে হতে সকাল হয়ে যায়। এতে করে পরের দিনের সব কাজ ওলট পালট হয়ে যায়।

রাত জেগে থাকা এবং না ঘুমানোর ক্লান্তির কারণে নষ্ট হয়ে পরের দিনটিও। কিন্তু আপনি জানেন কি, আপনার ঘুম না আসার পেছনে রয়েছে আপনারই কিছু কাজ?

বিছানায় শুয়ে ঘুমানোর আগে আপনি যে কাজ গুলো করেন তাতেই আপনার ঘুমের বারোটা বেজে যায়। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক যে যে কাজগুলো বিছানায় একেবারেই করা উচিৎ নয় সেই কাজগুলোর একটি তালিকা।

মেসেজ করা:

অনেকেই আছেন যারা বিছানায় শুয়ে ফোন নিয়ে মেসেজ চালাচালি করতে থাকেন, কিংবা ফোনের ইন্টারনেট ব্যবহার করে ফেইসবুকে মেসেজ বা ইমেইল করেন।

প্রায় ৯৫% মানুষের এই কারণে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। যখন আপনি মেসেজ করেন তখন আপনার অবচেতন মন উত্তর আশা করে তা আপনার মস্তিষ্ককে সজাগ রাখে এবং ঘুম আসে না। তাই ভালো ঘুমের জন্য এই অভ্যাসটি ত্যাগ করুন।

বেশি নড়াচড়া করা:

ঘুম না আসলে আমরা বেশীরভাগ সময় এপাশ ওপাশ ফিরি এবং ঘড়ি দেখি বা উঠে বসি। কিন্তু এতে করেই ঘুম আরও দূরে সরে যায়। ঘড়ি দেখা এবং এপাশ ওপাশ ফেরা আপনার ঘুম না আসার দুশ্চিন্তায় ফেলে দেয়। এর চেয়ে বরং একভাবে শুয়ে থাকুন। দেখবেন ঘুম এসে যাবে।

টিভি দেখা:

ঘুম না আসার অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে বিছানায় শুয়ে টিভি দেখা। টিভি দেখা আপনার বিশ্রাম নেয়া এবং ঘুমানোর চিন্তাটাকে পুরোপুরি সরিয়ে ফেলে আপনার মস্তিস্ক থেকে। শোবার ঘরে টেলিভিশন রাখা অনেক বড় একটি বোকামি।

  (এই বিষয়গুলোর উপর ভিডিও বা স্বাস্থ্য বিষয় ভিডিও দেখতে চাইলে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি - ঠিকানা - YouTube.com/HealthBarta)

গবেষকরা বলেন ঘুমের জন্য হার্টবিট ও শ্বাসপ্রশ্বাসের মাত্রা কমে যাওয়ার প্রয়োজন। কিন্তু যখন আমরা টিভি দেখি তখন আমাদের হার্টবিট ও শ্বাসপ্রশ্বাসের মাত্রা সাধারনের তুলনায় বেড়ে যায়। আর একারণে আমাদের ঘুম আসে না। তাই বিছানায় শুয়ে টিভি দেখা বন্ধ করতে হবে।

কাজ করা:

গবেষণায় দেখা গিয়েছে অনিদ্রায় ভোগা প্রতি ১০ জনের মধ্যে প্রায় ৮ জনই ঘুমানোর আগে বিছানায় শুয়ে বসে কাজ করতে থাকেন।

কিন্তু বিছানায় বসে কাজ করা আপনার মানসিক চাপ বৃদ্ধি করে এবং মস্তিষ্ককে দীর্ঘক্ষনের জন্য সজাগ রাখে ফলে কাজ বন্ধ করে আপনি যখন ঘুমানোর চেষ্টা করেন তখনও ঘুম আসে না। ঘুমুতে যাওয়ার অন্তত ২ ঘণ্টা আগে সব কাজ শেষ করে বিছানায় যাবেন।

পোষা জীব নিয়ে ঘুমুতে যাওয়া:

যারা বাসায় কুকুর বা বেড়াল পালেন তারা অনেকেই নিজের বিছানায় স্থান দেন পছন্দের এই জীবগুলোকে। কিন্তু এতে আপনার ঘুম চলে যাচ্ছে অনেক দূরে।

পোষা জীব নিয়ে ঘুমুতে গেলে আপনার মনোযোগ অনেকাংশে সেগুলোর প্রতি চলে যাবে। নিজের অজান্তেই আপনার হার্টবিট বাড়বে। এতে করে ঘুম আর আসতে চাইবে না। তাই যতই পছন্দ করুন না কেন পোষা জীবগুলোকে বিছানা থেকে দূরে রাখুন।

অতিরিক্ত উষ্ণ বিছানা:

ঘুমানোর সময় আমাদের দেহের তাপমাত্রা অনেক কমে যায়। ঘুমের মাঝে আমাদের দেহের তাপমাত্রা থাকে প্রায় ৬০-৬৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট। অনেকেই নরম তুলতুলে বিছানায় ঘুমুতে বেশ পছন্দ করেন। কিন্তু এই ধরণের বিছানা অনেক উষ্ণতার সৃষ্টি করে।

শীতকাল হলে এই উষ্ণতা বেশ আরামদায়ক কিন্তু গরমকালে এই উষ্ণতাই আপনাকে করে তুলবে অনিদ্রার রোগী। বিছানার তুলতুলে মাট্রেস বদলে ফেলার চেষ্টা করুন।

যদি তা না পারেন তবে ঘুমুতে যাওয়ার আগে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে গোসল করে শরীরটাকে ঠাণ্ডা করে বিছানায় যান। দেখবেন ঘুম সহজেই চলে আসবে।

বিশেষ মুহূর্তে যৌন দুর্বলতা, শুক্র স্বল্পতা, মিলনে সময় সময় কম, লিঙ্গের শিথিলতা সহ যে কোন যৌন সমস্যায় অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং স্থায়ী চিকিৎসা গ্রহন করুন। যোগাযোগ করুন ডাক্তার নাজমুলঃ 01799 044 229

আপডেট পেতে লাইক দিন আমাদের ফেসবুক পেজে

Leave a Reply