,
আপডেট

ঘুমের ঘোরের স্বপ্ন

প্রতেক মানুষই স্বপ্ন দেখে। তিন-চার মাসের শিশু থেকে শুরু করে অশীতিপর বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা। স্বপ্ন দেখতে হলে ঘুমোতেই হবে। ঘুমের REM পর্ব বা কম্পাক্ষি পর্বকে বলা হয় ঘুমের স্বপ্ন পর্ব।

বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে দেখেছেন, প্রতিটি মানুষ প্রতিদিন ঘুমোলেই স্বপ্ন দেখেন অন্তত ৩টা থেকে ৯টা। স্বপ্ন দেখা অবস্থায় ঘুম ভেঙে গেলে অনেকেই সেই স্বপ্নের হুবহু বর্ণনা দিতে পারেন। কিন্তু ঘুম না ভাঙলে সকালবেলা সেই স্বপ্নের কথা নাও মনে থাকতে পারে।

স্বপ্ন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করে যাচ্ছে শিকাগো ইউনিভার্সিটি, ওয়াল্টার রিড ইন্সটিটিউট অফ রিসার্চ, হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অফ পিটসবার্গ, স্ট্যানফোর্ড স্লিপ রিসার্চ সেন্টারসহ নানা প্রতিষ্ঠান।

তাঁদের মতে, ঘুমের REM পর্বে মস্তিষ্কের লিম্বিক সিস্টেম, যাকে ইমোশনাল ব্রেনও বলা হয়, সেই অংশ ভীষণভাবে সক্রিয় থাকে। ঘুমিয়ে থাকে বুদ্ধি এবং যুক্তি বিশ্লেষণকারী অংশ প্রি-কন্ট্রোল কর্টেক্স।

মনোবিজ্ঞানীদের মতে, মানসিক সুস্থতার জন্য সকলেরই স্বপ্ন দেখা জরুরি। বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করে দেখেছেন, বার বার কারো স্বপ্ন দেখায় বাধা দান করলে তার মধ্যে ‘ড্রিম উইথড্রয়াল সিনড্রোম’ দেখা দেবে। ফলে মন হয়ে উঠবে অশান্ত, বিক্ষিপ্ত এবং ভারসাম্যহীন।

  (এই বিষয়গুলোর উপর ভিডিও বা স্বাস্থ্য বিষয় ভিডিও দেখতে চাইলে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি - ঠিকানা - YouTube.com/HealthBarta)

কারণ স্বপ্নের মাধ্যমেই আমাদের মন স্নিগ্ধ ও নিরাপদ পাগলামিতে অর্থাত্‍ সেফ ইনস্যানিটিতে মুক্তি পেতে পারে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুদ্ধবন্দীদের রাতের পর রাত ঘুমোতে দেয়া হতো না। ফলে তারা মানসিক রোগীতে পরিণত হতো।

পরবর্তীতে গবেষণায় জানা যায়, ঘুমোতে না পারায় নয়, স্বপ্ন দেখতে না পারাই ছিল তাদের মানসিক বিকলনের কারণ।নাইটমেয়ার বা ভয়ের স্বপ্ন দেখে থাকেন অনেকেই। ঘুমোবার কিছুক্ষণের মধ্যেই আমরা ভয়ের স্বপ্ন দেখি বেশি।

কারণ সারাদিনের যত উদ্বেগ, উত্তেজনা, হতাশা প্রথম রাতেই আমাদের মনে ছাপ ফেলে বেশি। ভোরের দিকে ঘুম ভাঙার আগে অধিকাংশ স্বপ্নই হয় মজার এবং সুখকর।

স্বপ্নে যেহেতু মানসিক এবং শারীরিক প্রতিফলন হয়, সেহেতু বার বার ভয়ের স্বপ্ন দেখলে ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত। প্রয়োজনে মনোবিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলতে পারেন।প্রতিরাতে শোওয়ার আগে ইতিবাচক চিন্তা নিয়ে ঘুমোতে যান।

ঘুমের আগে ভালো ভাবনা স্বপ্নের ধরন পরিবর্তন করে দিতে পারে। স্বপ্নের সুখকর পরিণতি দিতে নিজের দুশ্চিন্তায় লাগাম টানুন। নেতিবাচক চিন্তা স্বপ্নে নেতিবাচক প্রভাবই ফেলবে। শান্তির ঘুম এবং সুস্থ মন ও শরীরের জন্য ভালো স্বপ্নের জুড়ি নেই! তাই ঘুমের আগে নিজের খুব পছন্দের কোনো স্মৃতি রোমন্থন করুন।

বিশেষ মুহূর্তে যৌন দুর্বলতা, শুক্র স্বল্পতা, মিলনে সময় সময় কম, লিঙ্গের শিথিলতা সহ যে কোন যৌন সমস্যায় অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং স্থায়ী চিকিৎসা গ্রহন করুন। যোগাযোগ করুন ডাক্তার নাজমুলঃ 01799 044 229

আপডেট পেতে লাইক দিন আমাদের ফেসবুক পেজে

Leave a Reply