,
আপডেট

হেয়ার কালার ব্যবহারে পরামর্শ

আপনি আপনার মুখে, চুলে যাই ব্যবহার করুন না কেন, সেই ব্রান্ডটি আপনার পক্ষে সঠিক কিনা তা প্রথমে যাচাই করে নিন। নইলে, সমস্যা হতে পারে। এই যেমন ধরুন, হেয়ার কালার। কলেজ স্টুডেন্ট থেকে বয়স্ক, সবাই হেয়ার কালার করায়।

এরপর, অনেকের ক্ষেত্রেই বিভিন্ন সমস্যা দেখা যায় । প্রথমবার চুল রং করার সময়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, প্রথমবার রং করার আগে বেশ কিছু সাধারণ বিষয়ও আপনার জানা নাও থাকতে পারে।

আর অদক্ষভাবে প্রথমে রং করলে আপনার চুলের যথেষ্ট ক্ষতি হতে পারে। এজন্য চাই কিছু সতর্কতা । চুল রং করার জন্য কোনো নিম্নমানের পণ্য ব্যবহার করা উচিত নয়।

বিশেষ করে চুল রং বা ডাই করার পর প্রাথমিকভাবে এর স্বাস্থ্য খারাপ হতে দেখা যায়। প্রথম কিছুদিন চুল শুকনো ও ভঙ্গুর বলে মনে হবে। এরপর চুলে কিছুটা জট লাগার প্রবণতা দেখা যায়।

তবে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের এ প্রবণতা অনেকখানি কমে যায়। প্রথমে হালকা রং করুন, পরে প্রয়োজনে গাঢ় রং করুন। এতে, কালার ব্যালান্স ঠিক থাকে।

চুল রং করার আগে আপনার স্টাইলিস্টকে চুলের ইতিহাস জানান। বিশেষ করে,কোনো কেমিক্যালে আপনার অ্যালার্জি আছে তা, জানাতে ভুলবেন না।

১. এটা এককালীন বিষয় নয়:

চুল রং করার আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় জানা থাকা উচিত যে, এটা এককালীন বিষয় নয়। তার অর্থ দাঁড়ায় দুইটি বিষয়ে- এক. আপনার চুল প্রথমবার রং করার পর তা কিছুদিন পর আবার পরিচর্যা করতে হবে।

আর তার আগেও এর যত্ন নিতে হবে। দুই. চুল রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রসাধনীসহ কিছু ব্যয়ের সংস্থান রাখতে হবে। এর অন্যতম কারণ চুল রং করার পর কিছুদিন পর তা উজ্জ্বলতা হারাতে শুরু করবে। আর এ উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে বা ধরে রাখতে যাবতীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

২. পণ্যের দিকে নজর দিন:

চুল রং করার জন্য কোনো নিম্নমানের পণ্য ব্যবহার করা উচিত নয়। এজন্য সুপ্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানের তৈরি ভালোমানের পণ্য ব্যবহার করতে হবে। এ ছাড়া রং করার পর চুল রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ব্যবহার করতে হবে ভালো মানের প্রসাধনী।

  (এই বিষয়গুলোর উপর ভিডিও বা স্বাস্থ্য বিষয় ভিডিও দেখতে চাইলে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি - ঠিকানা - YouTube.com/HealthBarta)

অন্যথায় চুলের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। তাই এক্ষেত্রে পণ্য বাছাইয়ে সচেতনতা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

৩. চুলের স্বাস্থ্য পরিবর্তন হবে:

চুল রং বা ডাই করলে চুলের স্বাস্থ্যে কিছুটা পরিবর্তন দেখা যায়। বিশেষ করে চুল রং করার পর প্রাথমিকভাবে এর স্বাস্থ্য খারাপ হতে দেখা যায়। প্রথম কিছুদিন চুল শুকনো ও ভঙ্গুর বলে মনে হবে।

এরপর চুলে কিছুটা জট লাগার প্রবণতা দেখা যায়। তবে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের এ প্রবণতা অনেকখানি কমে যায়।

৪. মুখের ওপর প্রভাব:

চুলের রং পরিবর্তন করলে তা আপনার মুখের উজ্জ্বলতায়ও পরিবর্তন হয়েছে বলে মনে হবে। বিশেষ করে যদি গাঢ় কোনো রং ব্যবহার করেন তাহলে আপনার মুখের উজ্জ্বল বলে মনে হবে।

অন্যদিকে হালকা রং ব্যবহার করলে আপনার মুখের উজ্জ্বলতা কম বলে মনে হবে। এছাড়া চুলের রং পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ভ্রুর রংকেও সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে পরিবর্তন করতে হবে। অন্যথায় তা বেমানান মনে হতে পারে।

৫. রং পরিবর্তনে সতর্কতা:

আপনি যদি মাঝে মাঝে চুলের রং পরিবর্তন করে নতুনভাবে সাজতে চান তাহলে কিছু সতর্কতা অবলম্বন প্রয়োজন। বিশেষ করে প্রথমেই চুল গাঢ় রং না করে হালকা রং করে দেখা যেতে পারে।

এরপর প্রয়োজনে তা গাঢ় করতে পারবেন। কিন্তু প্রথমেই যদি গাঢ় রং করে ফেলেন তাহলে হালকা রং করার আগে ব্লিচ করে আগের রং উঠাতে হবে। এতে চুলের ওপর বাড়তি ধকল পড়বে। তাই প্রথমে হালকা রং করুন, পরে প্রয়োজনে গাঢ় রং করুন।

৬. চুলের ইতিহাস:

চুল রং করার আগে আপনার স্টাইলিস্টকে চুলের ইতিহাস জানান। যদি চুলে ঢেউ থাকে তাহলে সেজন্য ভিন্ন ধরনের রং ব্যবহার করতে হবে। এ ছাড়া কোনো কেমিক্যালে আপনার অ্যালার্জি থাকলে তা লক্ষ্য করে জানাতে ভুলবেন না।

৭. মান বজায় রাখুন:

শুধু মূল্য দিয়েই মান যাচাই করা যায় না। তার পরেও চুল রং করার আগে আপনার স্টাইলিস্টকে ভালো পণ্যটি ব্যবহার করতে বলুন। যারা বিশ্বস্ততার সঙ্গে ভালোমানের পণ্য ব্যবহার করে যত্নের সঙ্গে এ কাজ করে, তাদের সহায়তা নিন।

বিশেষ মুহূর্তে যৌন দুর্বলতা, শুক্র স্বল্পতা, মিলনে সময় সময় কম, লিঙ্গের শিথিলতা সহ যে কোন যৌন সমস্যায় অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং স্থায়ী চিকিৎসা গ্রহন করুন। যোগাযোগ করুন ডাক্তার নাজমুলঃ 01799 044 229

আপডেট পেতে লাইক দিন আমাদের ফেসবুক পেজে

Leave a Reply