,
আপডেট

বুকেও জমে মেদ

বৃটেনের ফোরসাইট পত্রিকার এক জরিপে বলা হয়েছে, ২০৫০ সালে গিয়ে সে দেশের ৬০ শতাংশ পুরুষ, ৫০ শতাংশ মহিলা এবং ২৫ শতাংশ শিশু চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে স্থুলকায় বলে যাদের, সে রকম হয়ে যাবে।

এ রকম হলে টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্তের হার ৭০ শতাংশ বেড়ে যাবে, স্টোক হওয়া বাড়বে ৩০ শতাংশ, করোনারি ডিজিজ তথা হার্টের রোগ বাড়বে ২০ শতাংশ। কিছু কিছু গোত্রের ক্যানসারও বাড়বে। নানা ধরনের রোগভোগ গেলেই থাকবে।

আর এসব রোগ ভোগের শুশ্রুষায় দেশের তহবিল থেকে তিন লক্ষ ৬৪ হাজার কোটি টাকা প্রতি বছর খরচ হয়ে যেতে থাকবে। এখন গোটা দেশের স্বাস্থ সেবা খাতে যে টাকা খরচ হয়, তার অর্ধেকেরও বেশি এই ৪৫৫ কোটি পাউন্ড পরিমাণটা।

অস্বাস্থ্যকর ফাস্টফুড, চিপস-টিপস, পিৎজা, বার্গারসহ নানা ধরনের ঝালনোনতা জিভে জল আনা খাবার-দাবার, কোথাও যেতে হলে বা বাড়ির বাইরে পা রাখতে না রাখতেই গাড়িতেই চেপে বসা এসব কারণেই মেদ জমে জমে স্থুল হচ্ছে মানুষ।

  (এই বিষয়গুলোর উপর ভিডিও বা স্বাস্থ্য বিষয় ভিডিও দেখতে চাইলে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি - ঠিকানা - YouTube.com/HealthBarta)

শুধু পেটে নয়, বুকেও জমছে মেদ। এমন মুটিয়ে যাচ্ছে যে বৃটেনকে এইসব রোগাক্রান্ত মানুষ পরিবহনের জন্য আলাদা ধরনের অ্যাম্বুলেন্স বানাতে হচ্ছে। পাঁচ টন পর্যন্ত ওজন বহন করতে পারে এমন একেকটি এই অ্যাম্বুলেন্স বানাতে খরচ পড়বে ৭২ লক্ষ টাকা।

চিকিৎসা বিজ্ঞানী প্রফেসর ডেভিড কিংয়ের তাই আক্ষেপ, সামাজিক পরিবেশটাই এমন হয়ে গেছে। প্রচার মাধ্যম আমাদের এমন সব খাবার-দাবার খেতে প্ররোচিত করছে, যেগুলির প্রতি আমরা ক্রমশই লোভী হয়ে উঠছি। চাইলেও সেই লোভকে জয় করা যাচ্ছে না। অতি সুগার, অতি লবণ এবং বিপজ্জনক ফ্যাট সমৃদ্ধ খাবারদাবারের দামও কম। ১৫ বছর ধরে ফল,শাকসবজির দাম ক্রমাগত বেড়েই গিয়েছে।

অস্বাস্থ্যকর খাবার-দাবার বিক্রি-বিপণনে কোথাও কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। খাবার-দাবারের মধ্যে অস্বাস্থ্যকর উপদান পুরে দেয়া রুখতেও কোনো উদ্যোগ নেই। লোভের বশে মানুষ জেনেশুনে বিষ গলাধঃকরণ করছে।

বিশেষ মুহূর্তে যৌন দুর্বলতা, শুক্র স্বল্পতা, মিলনে সময় সময় কম, লিঙ্গের শিথিলতা সহ যে কোন যৌন সমস্যায় অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং স্থায়ী চিকিৎসা গ্রহন করুন। যোগাযোগ করুন ডাক্তার নাজমুলঃ 01799 044 229

আপডেট পেতে লাইক দিন আমাদের ফেসবুক পেজে

Leave a Reply