ম্যালেরিয়া রোগের লক্ষণ চিকিৎসা এবং প্রতিরোধ | হেলথ বার্তা
,
আপডেট

ম্যালেরিয়া রোগের লক্ষণ চিকিৎসা এবং প্রতিরোধ

স্ত্রী জাতীয় এনোফিলিস মশার কামড়ে ছড়ায় এমন এক ধরনের সংক্রামক জ্বর হলো ম্যালেরিয়া৷ ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণু (প্লাসমোডিয়াম) মশার মাধ্যমে আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে অন্যের কাছে ছড়াতে পারে।

ম্যালেরিয়া রোগের লক্ষণ

রোগের লক্ষণের ধরন অনুসারে ম্যালেরিয়া কে সাধারণ/ জটিলতা বিহীন ম্যালেরিয়া ও মারাত্মক ম্যালেরিয়া হিসেবে চিহ্নিত করা যায়৷

সাধারণ/জটিলতা বিহীন ম্যালেরিয়ার লক্ষণ : ম্যালেরিয়া জ্বর থেকে থেকে নির্দিষ্ট সময়ে আসে৷ শীতকরে, কাপুনি দেয়৷ গায়ে প্রচন্ড ব্যথা হয়৷ এছাড়া হজমের গোলযোগ দেখা যায়। শরীর দুর্বল অনুভূত হয়। ক্লান্তি লাগে। এ সময়ে খিদে কমে যায়৷ তাই এ সময় রোগীকে হালকা ধরনের খাদ্যই দিতে হয়৷ বিশেষ করে তরল খাদ্য৷ শক্ত বা গুরুপাক খাদ্য বর্জন করা উচিৎ৷

মারাত্মক ম্যালেরিয়ার লক্ষণ

ম্যালেরিয়া রোগের জটিল ধরন হলো মারাত্মক ম্যালেরিয়া। জরুরী চিকিৎসা না পেলে এসব রোগীর মৃত্যু হতে পারে৷ সেরিব্রাল ম্যালেরিয়া (মারাত্মক ম্যালেরিয়া) রক্ত শূণ্যতা, কিডনি বৈকল্য, শ্বাস কষ্ট হওয়া, জন্ডিস, খিঁচুনি, রক্তে গ্লুকোজ কমে যাওয়ার লক্ষণ প্রকাশ পায়৷ এক্ষেত্রে রোগী নিজে বসতে দাঁড়াতে কিংবা হাঁটতে পারে না, বারবার বমি হয়৷ রোগী অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে, এমন কি মৃত্যুও হতে পারে৷

  (এই বিষয়গুলোর উপর ভিডিও বা স্বাস্থ্য বিষয় ভিডিও দেখতে চাইলে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি - ঠিকানা - YouTube.com/HealthBarta)

ম্যালেরিয়া রোগের চিকিৎসা

সাধারণ/জটিলতা বিহীন ম্যালেরিয়া চিকিৎসায় আগে মুখে খাওয়ার ঔষুধ ক্লোরো কুইন ব্যবহার করা হতো৷ ক্রমে এর কার্যকারিতা কমে যাওয়ায় বর্তমানে অন্যান্য বিভিন্ন ঔষধ ব্যবহার করা হয়৷ যার মধ্যে বাংলাদেশে কো-আর্টেম ব্যবহার করার নিয়ম সম্প্রতি চালু হয়েছে৷ যদিও ভাইভেক্স ম্যালেরিয়ায় এখনো ক্লোরো কুইন কার্যকর ঔষুধ হিসেবে বাংলাদেশে স্বীকৃত৷ সেরিব্রাল ম্যালেরিয়ার (মারাত্মক ম্যালেরিয়া)-রোগীকে মুখে খাওয়ার ঔষধ দিয়ে চিকিৎসা করানো সম্ভব নয়৷ ফলে এদের দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করেই নজেকশনের মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়া হয়৷ এখনো কুইনাইন ইনজেকশন স্যালাইনের মাধ্যমে প্রদান  করাই হচ্ছে মারাত্ম কম্যালেরিয়ার মূল চিকিৎসা৷এ ধরনের রোগীর প্রয়োজনীয় নার্সিং খুবই গুরুত্ব পূর্ণ৷

ম্যালেরিয়া প্রতিরোধ

ম্যালেরিয়া প্রতিরোধের পদ্ধতি গুলো হচ্ছে কীটনাশকে ডুবানো মশারি ব্যবহার করা এবং মশার কামড় থেকে রক্ষা পাওয়ার বিভিন্ন উপায় গ্রহন করা৷ মশার বংশ বৃদ্ধি রোধে বিভিন্ন মুখী সমন্বিত পদ্ধতি ব্যবহার করা৷ যেমন –

  • বাড়ির বাইরে গাছের টব ও জলাধার গুলো শুকনো, পানি শূন্য রাখতে হবে৷ যেসব জিনিসে বৃষ্টির পানি জমা হয়, যেমন- পুরনো টায়ার, ডাবের খোসা ইত্যাদি বাসার আশে পাশে না ফেলে ডাস্টবিনে ফেলে দিবেন
  • টবে যেন পানি জমে না থাকে, সেদিকে লক্ষ্য রাখুন
  • ফ্রিজের নিচের ট্রেতে যেন পানি জমে না থাকে, সেদিকে লক্ষ্য রাখুন
  • ফুল দানিতে যেন পানি জমে না থাকে, সেদিকে লক্ষ্য রাখুন
  • জন স্বাস্থ্য কর্মীরা যাতে স্থির জলাধার, জলাবদ্ধ এলাকা নিয়মিত পরিষ্কার করে সে ব্যাপারে পাড়ার সবাইকে উদ্যোগী হতে হবে।

মশার কামড় থেকে রক্ষা পেতে –

  • জানালা-দরজায় নেট এবং খাটে মশারি ব্যবহার করুন৷
  • মশা তাড়াবার জন্য মশার কয়েল, ভেপরম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

সর্বোপরি দ্রুত রোগ নির্ণয় করে কার্যকর চিকিৎসা দেওয়া। ম্যালেরিয়া জটিল হয়ে ওঠার আগেই লক্ষণ দেখা মাত্র হাসাপাতালে নিয়ে আসতে হবে।

বিশেষ মুহূর্তে যৌন দুর্বলতা, শুক্র স্বল্পতা, মিলনে সময় সময় কম, লিঙ্গের শিথিলতা সহ যে কোন যৌন সমস্যায় অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং স্থায়ী চিকিৎসা গ্রহন করুন। যোগাযোগ করুন ডাক্তার নাজমুলঃ 01799 044 229

আপডেট পেতে লাইক দিন আমাদের ফেসবুক পেজে

Leave a Reply