সপ্তাহে একবার জাঙ্ক ফুড খাওয়াই যায় | হেলথ বার্তা
,
শিরোনাম

সপ্তাহে একবার জাঙ্ক ফুড খাওয়াই যায়

আমাদের নিজেদের সুস্থ রাখতে ডায়েট প্ল্যান করি৷ আর এই ডায়েট ঠিক করতে গিয়েই মন খুব খারাপ হয়ে যায়৷ বিশেষ করে যাঁরা মিষ্টা খেতে ভালবাসেন, তাঁদের জন্য তো এই ডায়েট প্ল্যান একরকমের অভিসাপ বলা যায়৷ আসলে মিষ্টি মানেই তো অনেক চিনি আর ময়দা৷ ফলে তা খেলে মোটা হওয়াটা খুব স্বাভাবিক৷ তাই বলে কি কোনও দিনই আর পিৎজা, গোলাপজাম, ব্রাউনি খাবেন না? অবশ্যই খাবেন৷ তবে সপ্তাহে একদিনের বেশি নয়৷

আবার সবকিছু একসঙ্গে খাবেন না যেন৷ কোনও সপ্তাহে বার্গার খেলে পরের সপ্তাহে ব্রাউনি বা রসগোল্লা৷ আর শুধু তাই নয় খাবারের পর ডোসার্ট হিসেবে মিষ্টি খেলে কিন্তু চলবে না৷ আবার স্টার্টারেও যদি পিৎজা খান আর তারপর ফুল কোর্স লাঞ্চ বা ডিনার, তা হলেও কিন্তু ক্যালরি লাগবেই৷ তার কারণটা অবশ্যই গ্লাইসেমিক ইনডেক্স৷ এই ধরনের খাবারে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স খুব বেশি হয়৷ তাই পরিমিতিবোধটা থাকা দরকার৷

  (এই বিষয়গুলোর উপর ভিডিও বা স্বাস্থ্য বিষয় ভিডিও দেখতে চাইলে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি - ঠিকানা - YouTube.com/HealthBarta)

কালোজাম খেতে ভালবাসেন তো খান৷ রস চিপে বার করার দরকার নেই৷ কিন্তু ডেসার্ট হিসেবে নয়৷ দুপুর আর বিকেলের মধ্যে স্ন্যাক্স টাইমে খেতেই পারেন৷ কিন্তু মাত্র একটা৷ এতে ক্যালরি ফ্যাটে পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা কম৷ তাই পিৎজা খান কিন্তু এক স্লাইস, বার্গার খান কিন্তু একটা৷ গ্লাইসেমিক ইনডেক্স হাই থাকলে খাবারের লোড কমিয়ে দিন৷ তা হলেই ডায়েটও হবে আবার আপনার পছন্দের খাবারটাও খেতে পারবেন৷

অনেকেই আছেন যারা ওজন কমাতে দিনে প্রচুর ফল খান৷ ‘অ্যান অ্যাপেল আ ডে কিপস দ্য ডক্টর আওয়ে’ ঠিক কথাই, তাই বলে দিনে পাঁচ- ছটা ফল খাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ মোটেও নয়৷ ফল খাওয়া তখনই ভাল যখন আপনি উপোস করছেন৷ এক্সারসাইজের পরও ফল খেতে পারেন৷ কিন্তু এ ছাড়া যে কোনও সময় ফল খাওয়া মানেই ফলের ফ্রুকটোজকে ট্রাইগ্লিসারাইডে পরিবর্তন করা৷ এই একই কারণে ফলের রস খাওয়াও ভাল নয়৷ এতে ফলের গুণ তো থাকেই না, উলটে ফ্রুকটোজের পরিমাণ থাকে পাঁচগুণ বেশি৷ আর বেশি ফ্রুকটোজ মানেই বেশি ট্রাইগ্লিসারাইড৷ এবার বুঝলেন তো, খারাপ খাবার খাওয়া যেমন মাঝে মধ্যে খাওয়া ভাল, সেরকম ভাল খাবারও তেমনই মাঝে মধ্যে বাদ দেওয়াটাও জরুরি৷

আপডেট পেতে লাইক দিন আমাদের ফেসবুক পেজে