,
আপডেট

একজিমা (Eczema)

(হেলথ বার্তা/ডাঃ হেলাল কামালি) Eczema ( একজিমা ) Atopic dermatitis

একজিমা’ (Eczema) শব্দটি এসেছে গ্রিক ভাষা থেকে। যা ত্বকের অনেক ধরনের প্রদাহজনিত রোগকে একসঙ্গে বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। Atopic একজীমার সঙ্গে মানুষের ইমিউন সিস্টেমে কোষ প্রদাহ সৃষ্টি করেই একজিমার সৃষ্টি বলে অনেকে মনে করেন । অনেকে ডারমাটাইটিস এবং একজিমাকে একইসঙ্গে শ্রেণীবিন্যাস করে থাকেন। একজিমা হলো ত্বকের এমন একটি অবস্থা যেখানে ত্বকে প্রদাহের সৃষ্টি হয়। এটি বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। – বিজ্ঞানীদের দ্বারা সম্পাদিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে filaggrin জিন নামে পরিচিত একটি বিশেষ জিনের মধ্যে অপূর্ণতা যাদের বেশি তারাই এ জাতীয় চরম রোগে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকেন ( সে জন্য নিশ্চিত ইহা ও একটি বংশগত অসুখ ) । ত্বকের তৈলাক্ত ( লিপিড ) সাধারণত অন্যান্য ব্যক্তিদের তুলনায় জল ক্ষয় রোধ করতে সাহায্য কমে করে. সাথে ট্রিগার হিসাবে অন্যান্য এলারজেন ( খাদ্য / ব্যাবহারিক দ্রব্যাদি ) , ফাঙ্গাস, বেক্টোরিয়া, পরিবেশের কারনে ইহা বাড়িয়ে তোলে -এর আরেকটি নাম atopic dermatitis । সে জন্য কারনের উপর ভিত্তি করে একে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়েছে ।

এটোপিক একজিমা (Atopic Eczema)

এটোপিক একজিমা (Atopic Eczema):- শরীরের যেসব স্থানে ভাঁজ পড়ে যেমন-( হাঁটুর পিছনে, কুনইয়ের সামনে, বুকে, মুখে এবং ঘাড়ে সেসব স্থান এটোপিক একজিমা দ্বারা আক্রান্ত হয় ) অ্যালার্জি উৎপাদনের জেনেটিক প্রবণতাকে বলা হয় অ্যাটোপি। যেসব লোকের অ্যাটোপিক জেনেটিক প্রবণতা থাকে তাদের বলা হয় অ্যাটোপিক অর্থাৎ – উত্তরাধিকার হিসেবে প্রাপ্ত এবং পরিবেশগত কারণ মিশ্রণ আছে আছে বলে ধারনা – যেহেতো একক কোন কারণ নাই সে জন সামান্য একটু আলোচনার প্রয়োজন বলে মনে করছি – জীনতত্ত্ব রিসার্চ অনুসারে যদি একটি শিশুর বাবা atopic একজিমা থাকে, তা তার সন্তানের বেলায় 60 % একজিমা থাকার সম্বাভনা আছে এবং যদি পিতামাতা উভয়ের atopic একজিমা থাকে তা হলে 80 % সম্ভাবনা থাকতে পারে তাদের যে কোন সন্তানের জন্য । অন্যদিকে সন্তানদানক্ষম বয়সে (২০-৪৫) নারীরা বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকেন এবং হাপানি ও রানাইটিস জাতীয় রোগিদের বেলায় ৭৫% সম্বাভনা আছেই।

তাই যাদের জেনেটিক ভাবে একজিমার হিস্টোরি আছে তাদের বেলায় একজিমা বাড়ার জন্য যে সব কারন দায়ি তার মধ্যে প্রধান বিষয় গুলো যদি এড়িয়ে চলেন তা হলে অবশ্যই কিছুটা উপকৃত হওয়ার কথা। 

১- পরিবেশ:- Allergens শরীরের অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে যে সকল পদার্থ বা এটপিক একজিমার জন্য দায়ি তা হল ঘরের ধুলো বালি বা মাইট– পশম বা সিল্ক জাতীয় কাপড় — পরাগ ( যা গাছ গাছড়ার ফূলের রেণু )– ও পোষা প্রানির পশম বা লোম ।

২- ফুড এলারজি ও:- শিশুদের বেলায় খাদ্য allergens তৈরি হতে পারে যে সকল খাদ্য যেমনঃ-গরু ‘ দুধ ( মায়ের বুকের দুধের বেলায় তেমন প্রভাবিত নয় ) — ডিম–বাদাম–সয়াবীন — গম ইত্যাদি এড়িয়ে চলা ( তবে তা শিশুর জন্মের এক বছরের ভিতরেই allergens হয়ে থাকে , পরবর্তীতে আর তা থাকে না ) – বা যে সকল বাচ্চারা ৫ বছরের ভিতর হয়ে থাকে তাদের ও বয়স বাড়ার সাথে সাথে চলে যাবে যদি ঠিক মত একজিমা বাড়ে তার কারন সমুহ এড়িয়ে চলেন ( ৮৭% ) । .অর্থাৎ এলারজেন বাড়ে এমন সব খাদ্য থেকে এড়িয়ে চলা ।

৩- মহিলাদের ক্ষেত্রে হরমোন পরিবর্তন:- হরমোন শরীরের দ্বারা উৎপাদিত এবং প্রভাব বিস্তার করে বিধায় , নির্দিষ্ট হরমোন মাত্রা পরিবর্তনে কোন কোন মহিলার মধ্যে atopic একজিমার উপসর্গ দেখা দিতে পারে । অনেক নারীর মাসিক চক্র চলাকালীন নির্দিষ্ট সময়ে দেখা দিতে পারে বিশেষ করে নির্দিষ্ট সময়ের আগে দিনের মধ্যে একজিমা দেখা দেয় । গর্ভাবস্থায় হরমোন পরিবর্তনের প্রভাবে atopic একজিমা দেখা দিতে পারে তবে তা কিছুদিন পর চলে যায় ।

৪- মানসিক দুশ্চিন্তা:- স্ট্রেস atopic একজিমার সাথে যুক্ত হিসেবে পরিচিত তাই সে সময় মানসিক চাপের প্রভাবে অনেকেই এটপিক একজিমাতে আক্রান্ত হতে দেখা যায় ( কারন অজানা )

৫- ব্যায়াম বা অতিরিক্ত শারিরিক কাজ করার পর শরিরের ঘাম আপনার একজিমার লক্ষণ খারাপ করতে পারে। সে জন্য নিয়মিত বিরতি গ্রহণ করে চর্চা রাখলে তেমন হওয়ার কথা নয় ।

৬- Irritants বা ব্যাবহারিক কিছু দ্রব্যাদি:- Irritants আপনার উপসর্গ খারাপ করতে পারে – সাবান, শ্যাম্পু, ওয়াশিং আপ লিকুইড বা বাবল বাথ হিসাবে ডিটারজেন্ট , উল এবং নাইলন জাতীয় পোশাক – overheating ( তিব্র তাপমাত্রা ) — খুব ঠান্ডা , শুষ্ক আবহাওয়া, ধূলিকণা– অপরিচিত গৃহপালিত পশু পাখি, ইত্যাদি

অন্যান্য কম প্রতিক্রিয়া যুক্ত হিসাবে যা দায়ি করা হয় – কিছু সুগন্ধি ভিত্তিক পণ্য বা স্প্রে কিছু ব্যাবহার করলে — ইত্যাদি

ডিসকয়েড একজিমা (Discoid Eczema)

ডিসকয়েড একজিমা (Discoid Eczema):- যে কোন বয়সের পুরুষ নারী যে কারো হতে পারে তবে প্রাপ্ত বয়স্কদের বেলায় একটু বেশি দেখা যায় কিন্তু বর্তমানে সর্বশেষ তথ্যে দেখা যায় , তের হইতে উনিশ বা কুড়ি নারীদের মধ্যে দেখা দেয় –শুষ্ক ত্বক সংক্রমণের মাধ্যমে এটি হয়ে থাকে। এতে শরীরের যে কোনো অংশে , বিশেষ করে পায়ের নিচের অংশে , মুখ মন্ডল বা মাথায় গোলাকৃতি লাল, শুষ্ক এবং চুলকানির মতো হয়ে থাকে। . ইহা ঠান্ডা , শুষ্ক আবহাওয়ায় শীতকালে বেশি বাড়ে। সূর্যের আলো মধ্যে এর উপসর্গ উন্নতি হতে দেখা যায় । বিশেষ করে ত্বকের বাইরের স্তর ( বহিস্ত্বক ) প্রভাবিত একটি প্রদাহ, যেখানে অনেক সময় দাদ জাতীয় চর্ম রোগ মনে করে ভুল হতে পারে । ইহা চাকা ডিস্ক আকৃতির , যা চরিত্রগত বৃত্তাকার বা উপবৃত্তাকার প্যাচ থেকে আসে. ইহার আরেকটি নাম ” ম্যালাসেজিয়া ” একজিমা – ম্যালাসেজিয়া অর্থাত মুদ্রা আকৃতির একজিমা । ইহা একটু ফোসকা বা লাল দাগ একটি ছোট গ্রুপ হিসাবে সুচনা ঘটে , পরে লাল Pinky শুষ্ক ও আঁশযুক্ত প্যাচ মধ্যে বিকাশিত হতে থাকে . ত্বকের প্যাচ সাধারণত খুবি চুলকানি যুক্ত হয় . এবং অনেকের এই চুলকানি রাতের ঘুম পর্যন্ত নস্ট করে ফেলে এবং মারাত্মক আকারে দেখা দেয় যদি ব্যাকটেরিয়া সংক্রমিত হয়ে পড়ে ।

এলার্জিক কনট্যাক্ট একজিমা (Allergic Contact Eczema)

কোন পদার্থ বা বস্তু (Substances) থেকে যখন একজিমা দেখা দেয়। শরীরের যে অংশে এলার্জি হয় সেখানে লালচে দানা দেখা যায়। কিন্তু এটা শরীরের অন্যান্য অংশেও ছড়িয়ে যেতে পারে। শরিরের ইমিউন সিস্টেমের কারনে এলারজি দ্বারা ভিন্ন ভাবে Contact Eczema তে রূপ নিতে পারে । যার জন্য মুলত রাসায়নিক পদার্থ হিসাবে হিস্টামিন কে দায়ি করা হয় অর্থাৎ immediate hypersensitivity । যেমন যারা অতিরিক্ত এলারজি দ্বারা আক্রান্ত অথবা হাপানি ও অন্যান্য চর্ম রোগের স্বীকার তাদের ঐ জাতীয় এলারজিতে নিম্ন লিখিত যে কোন একটা কিছুর যোগাযোগ থাকতে দেখা যায় । যেমন: নিকেল জাতীয় গহনা , বেল্ট , ঘড়ির বেল্ট বা আবদ্ধকারী ব্যবহৃত একটি সাদা ধাতু, রাবার এবং সম্পর্কিত অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থ – জুতা, টায়ার ও পোশাক,পটাসিয়াম dichromate – সিমেন্ট , চামড – কালো চুল dyes এবং কিছু ‘ মেহেদি।

ঔষধ জাতীয়ের মধ্যে – lanolin , neomycin ( মলম জাতীয় – এন্টিবায়োটিক ), fusidic অ্যাসিড ( এন্টিবায়োটিক ), স্টেরয়েড ইত্যাদি – রেনু উৎপাদন বা বিষাক্ত কাটা জাতীয় গাছপালা – বা বায়ুবাহিত কণার সংস্পর্শে লক্ষন অনুসারে প্রথমে ছোট ফুস্কুড়ি দেখা দেয় আবন পরবতিতে তা সারা শরিরে ছড়িয়ে যেতে দেখা যায় । সেই সাথে ট্রিগার ( যুক্ত সক্তি ) হিসাবে ভিন্ন ধরনের এলারজেন প্রভাবিত খাদ্য এর তিব্রতা বাড়িয়ে দেয় । যদি এলারজি টেস্ট করিয়ে বা নির্দিষ্ট কারন খোজে পান এবং তা এড়িয়ে গেলেই প্রতিহত কর সম্বভ । If allergy testing reveals a cause that can be removed, the problem is quite likely to resolvজেট। 

ইরিট্যান্ট কনট্যাক্ট একজিমা (Irritant Contact Eczema)

এটি এলার্জিক একজিমার মতই এবং সাধারণত ডিটারজেন্ট অথবা পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহৃত দ্রব্যের ঘনঘন ব্যবহারের মাধ্যমে এই একজিমা দেখা দেয়। পেশা হিসাবে Hairdressers , ক্লীনার্স , কেটারিং শ্রমিক, খাদ্য প্রসেসর এবং মাছ বেবসায় ও ধাতু ইঞ্জিনিয়ারিং, পেইন্টিং ইত্যাদি শিল্পে জ্বড়িতদের বেলায় একটু বেশি দেখা যায় -তার কারন জলে ভেজানো এজেন্ট সমুহ ত্বকের পৃষ্ঠ কোষ swells করে রাখে বা শুকাতে দেয়না
এ ছাড়া ব্যাবহারিক সামগ্রী হিসাবে কিছু পরিষ্কার করার উপকরণ থেকে ও হতে পারে। যেমন, ডিটারজেন্ট , ব্লিচ্‌ , Irritants পানি , ডিটারজেন্ট , দ্রাবক , অ্যাসিড, ইত্যাদি ইরিট্যান্ট কনট্যাক্ট একজিমা রোগ হয়ে থাকে ।

সেবোরিক একজিমা (Seborrhoeic Eczema):- মাথার ত্বকে হালকা খুশকির মতো তৈলাক্ত ফুসকুড়ি দেখা যায়। এর ফলে শরীরের অন্যান্য অংশ লালচে এবং যন্ত্রণার সৃষ্টি হতে পারে। এটি সাধারণত বেশির ভাগ মাথায় বা অতিরিক্ত লোমকোপ অঞ্ছলে দেখা যায়

  (এই বিষয়গুলোর উপর ভিডিও বা স্বাস্থ্য বিষয় ভিডিও দেখতে চাইলে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি - ঠিকানা - YouTube.com/HealthBarta)

ভেরিকোস একজিমা (Varicose Eczema):- সাধারণত বয়স্ক লোকদের পায়ের নিচের অংশে এই একজিমা হতে দেখা যায়। রক্ত সংবহনে সমস্যা (Poor Circulation) এবং উচ্চচাপের কারণে হয় । স্থায়িভাবে স্ফীত বা বর্ধিত একজিমা পায়ে বেড়ে শিরাস্থ চাপ এবং শিরাস্থ অপ্রতুলতার বহিপ্রকাশ । কোন কোন সময় ছোট ছোট শিরা ও স্নায়ু সমুহের পেশী রক্ত সঞ্চালনে বিগ্ন ঘটাতে পারে বিধায় রিতিমত আক্রান্ত অঞ্ছলে মলম বা ক্রিম বা নারিকেল তৈল জাতীয় কিছু দিয়ে ম্যাসেজ করা ভাল ।

একজিমার সাধারন লক্ষন: –

একেক ধরনের একজিমার লক্ষণ একেক রকম হয়। লালচে, প্রদাহযুক্ত ত্বক–শুষ্ক, খসখসে, ফেটে যাওয়া ত্বক–ত্বকে চুলকানি–হাত ও পায়ের ত্বকের মধ্যে ছোট ছোট পানির ফুসকুড়ি–ত্বকে সংক্রমণ হলে ত্বক ভেজা ভেজা হয় এবং পুঁজ বের হতে পারে– ত্বকের যে সমস্ত জায়গা বারবার চুলকানো হয় সেগুলো পুরু হওয়া–গুরুত্বর ক্ষেত্রে অবশেষে চামড়া থেকে রক্ত ঝরতে থাকবে এবং Staphylococcus aureus ( এস aureus ) নামক ব্যাকটিরিয়া সাধারণভাবে একজিমার সাথে যুক্ত হলে অন্যান্য আর অনেক ধরনের মারাত্মক লক্ষন দেখা দিতে পারে ।

প্যাথলজি:-  রক্ত ও চামড়া পরিক্ষা করতে পারেন এবং সাথে এলারজিক স্কিন টেস্ট করালে অবশ্যই জানতে পারবেন কোন ধরনের উক্তেজক খাদ্য বা বস্তু আপনার জন্য ক্ষতিকারক ( Blood tests: These require a small blood sample, typically drawn through a needle in the arm. One such test looks for high levels of eosinophils, cells in the blood that are part of an immune reaction. Another looks for high levels of a molecule called IgE antibody. Blood levels of these are elevated in people with atopic diseases, including dermatitis. Even more useful are allergen-specific IgE tests, which measure levels of the antibody, each of which is associated with a different allergen. Note: measuring IgG antibody to foods is NOT a useful test for determining food allergy. )
স্কিন বায়োস্কপি 🙁 Allergy skin testing: Prick skin tests can be done to common foods or inhalant allergens to show sensitization or lack of sensitization to specific allergens. )

পেচটেস্টিং ( Patch testing ) : In this test, small patches covered with allergenic chemicals are placed on the skin for 48 hours, then removed and the skin reaction is evaluated at 72-96 hours. It can identify contact allergy to chemical sensitizers such as fragrances, metals, lanolin, rubber, etc. বা Buccal swabs করাতে পারেন।

চিকিৎসা:- যেহেতো একজামা জাতীয় অসুখ সম্পূর্ণ নির্মূল করার মত কোন ঔষধ নাই তাই সাময়িক উপশম বা নিয়ন্ত্রন করা চাড়া চিরস্তায়ি সম্পূর্ণ কমার কথা নয় । তবে যদি দীর্ঘ দিন একজিমা বাড়ে যে সব কারনে সে সব কারনে তা থেকে দূরে থাকতে পারেন, তা হলে অনেকের কমে যেতে ও দেখা গেছে যদি এলারজিক অন্য কোন অসুখ না থাকে বা অনেকের আর হতে ও দেখা যায়না নিরভর করবে এলারজিক প্রতিরোধ ক্ষমতার উপর ।

হালকা ময়েশ্চারাইজার যুক্ত সবান ব্যাবহার করবেন যা আপনার ত্বক শুষ্ক হবে না (ব্র্যান্ড নাম আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্ট দ্বারা সুপারিশ করা যেতে পারে)। এবং পরে ক্রিম, লোশন, বা মলম আকারে একটি ভাল moisturizer ব্যাবহার করতে পারেন যা আপনার চামড়ার প্রাকৃতিক আর্দ্রতা সংরক্ষণ সাহায্য করে – গুরুতর একজিমার সাথে কিছু একজিমা সাওয়ার জেল ব্যাবহার করতে পারেন আপনার গোসলের পানির সাথে -ঔষধ হিসাবে Hydrocortisone. Mild anti-itch lotions (Caladryl or Calamine) or topical corticosteroids (hydrocortisone) – ব্যাবহার করবেন ( where skin is thickened may be treated with ointments or creams that contain tar compounds (such as Psoriasin), corticosteroids, and ingredients that lubricate or soften the skin ) গুরুত্বর ক্ষেত্রে আপনার চিকিৎসক corticosteroids জাতীয় ট্যাবলেট মুখে খাওার জন্য দিতে পারেন – এছাড়া হিস্টামিন নিয়ন্ত্রনের জন্য ( চুলকানি ) diphenhydramine ( Benadryl ) ইত্যাদি গ্রোফের ঔষধ দিয়ে থাকেন – Topical immunomodulators (TCIs) Protoptic বা pimecrolimus ( Elidel ) — প্রদাহ কমাতে নতুন ড্রাগসের ব্যাবহার হইতেছে অবশ্য যখন স্টেরয়েড ফেইল হয়ে যায় সেখানে বেশ ফল পাইতেছেন রোগিরা – সাথে পুজ রক্ত ইত্যাদি থাকলে সে জন্য ভিন্ন ধরনের এন্টিবায়োটিক মুখে খাওার জন্য দিতে পারেন আপনার চিকিৎসক । এবং সাপ্লিমেন্টারী হিসাবে ইদানিং কিছু ভিটামিন জাতীয় ঔষধের ও প্রয়োগ হইতেছে যা ভাইট্রাল ফোরস হিসাবে কাজ করে এবং হিলিং এ সহায়তা করে। 

হারবাল ও খনিজ:- নতুন এক গবেষণায় দেখিয়েছেন Fish oil ( one of the omega-3 fatty acids found in fish oil ) ১২ সপ্তাহের ব্যাবহারে এটপিক একজিমার জন্য বেশ ভাল রিজাল্ড মিলেছে যেহেতো ইহাতে leukotriene B4 আছে যা চর্মের ইনফ্লেমেশন রোধ করতে সহায়ক – ভিটামিন সি প্রতিদিন ১০০ মিগ্রা করে দুইবার খেলে চুলকানি অতি তাড়া তাড়ি ভাল হয় । বিশেষ করে শিশুদের জন্য । Evening primrose oil, Borage oil ব্যাবহারে ভাল রিজাল্ড দেখা যাইতেছে । Matricaria recutita–Chickweed (Stellaria media), marigold (Calendula officinalis), and licorice (Glycyrrhia glabra) ক্রিম হিসাবে একজিমা জাতীয় চুল্কানির জন্য বিশেষ ভাল একটা হারবাল ঔষধ বলা যায় ।

জেনে নিন কিছু হোম রেমিডি চিকিৎসা যা একজিমা রোগের জন্য প্রমানিত চিকিৎসা বিশেষ করে ক্রিম বা মলমের বিকপ্ল বলতে পারেনঃ- 

  • ঠান্ডা ভারজিন নারিকেল তৈল যে কোন ধরনের একাজিমার জন্য উপকারি যা চর্ম রোগ বিশেষজ্ঞরা ব্যাবহারের জন্য উপদেশ দিয়ে থাকেন –
  • প্রাকৃতিক ভাবে তৈরি ভিটামিন ই তেল, বেবহার করুন ( বিশেষ করে প্রাকৃতিক ডি আলফা টেকোফেরল প্রয়োগ করুন।
  • তাজা শুকনো থেকে ক্যামোমিল চা পাতা চোলাই করে 20 মিনিটের জন্য গজ দিয়ে একজিমায় আক্রান্ত এলাকায় প্রয়োগ করুন. কয়েকদিন করলে চুলকানি চলে যাবে
  • ভিটামিন ই তেলের সঙ্গে ঘৃতকুমারীর কচি পাতা ( Aloe vera ) মিশ্রিত করে আক্রান্ত স্তানে ব্যাবহারে বেশ ভাল রিজাল্ড দেখা যাইতেছে যা পৃথিবীর সর্বত্র এর ব্যাবহার হইতেছে এ ছাড়া সরবমোট ২২ টি মিনারেল জাতীয় মানব দেহের প্রয়োজনীয় আইটেম এর মধ্যে বিদ্দমান আছে বিধায় ঔষধি ভেষজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি ঔষধ ।
  • একটি সম্পূর্ণ জৈব শশা পাতলা টুকরা করে কেটে অন্তত দুই ঘন্টার জন্য আক্রান্ত স্তানে লাগিয়ে রাখুন । প্রয়োজন একটি পরিষ্কার কাপড় বা গজ দিয়ে বেধে রাখতে পারেন । এতে করে আক্রান্ত স্তানের উজ্জীবিত কোষ সমুহের সেন্সিটিভিটি কমায় ।
  • তিনটি জৈব গাজর কে ফোটিয়ে নরম করে মসৃণ পেস্ট করুন , এবং তারপর 15 মিনিটের জন্য আক্রান্ত এলাকায় প্রয়োগ করুন এবং শেষে হলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন ।

 

Climatotherapy:- ( সামুদ্রিক স্নান ) প্রচলিত প্রথা অনুসারে সমুদ্র জলে স্নান কিছুটা উপকারি (সাময়িক ) যে কারনে প্রতিদিন হাজার হাজার একজিমা রোগি স্নান করার জন্য ইসরাইলের ডেড সি তে যাইতেছন । ( পরিক্ষাদিন ) ( study looked at the experience of more than 1,500 people with eczema and found that 95% of skin was cleared in people who had previous stays at the Dead Sea longer than 4 weeks.)
( বাড়তি কিছু উপদেশ ইন্টারনেট কালেকশন হতে সংগৃহীত )

  • – আমরা খাবারের মাধ্যমে যেটাই গ্রহণ করি, তার প্রতিফলন আমরা ত্বকের বাইরের সারফেসে এর প্রভাব দেখা যায় সে জন্য এমন খাবার খেতে হবে জাতে করে আপনার লিভার ফাংশন ভালো রাখে।
  • – প্রতিদিন খাবারের তালিকায় প্রচুর পরিমাণে সবজি রাখতে হবে। আজকাল বাজারে ফরমালিন এবং কীটনাশক স্প্রে দেওয়া শাক সবজিতে ভরে গিয়েছে। যেভাবেই হোক, এই ধরনের খাবার পরিহার করতে হবে।
  • – গরুর মাংস পুরোপুরি ভাবে পরিহার করতেই হবে। যদি খেতেই হয় সবুজ ঘাস খাওয়া এমন গরুর মাংস খাওয়া যেতে পারে, তাও অল্প পরিমাণে। ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড আছে এমন খাবার যেমন রুই মাছ, বাদাম ইত্যাদি প্রচুর পরিমাণে খেতে হবে।
  • – যদি সম্ভব হয় কার্বোহাইড্রেট খাবার একদমই কম খাবেন।
  • – গরুর দুধ একজিমা রোধে অন্যতম সহায়ক। সেটা খেয়ে নয় বরং না খেয়ে। পরীক্ষামূলক ভাবে ২ সপ্তাহ গরুর দুধ না খেয়ে দেখতে পারেন। পজিটিভ ফলাফল আপনিই দেখতে পারবেন। কেননা গরুর দুধ অনেক এসিডিক, যেটা নেগেটিভ ফলাফল দেয় ইমিউন সিস্টেম এবং একজিমার জন্য। যেকোনো দুধ জাতীয় খাবার পরিহার করুন। যেমন কেক, পায়েস ইত্যাদি। গরুর দুধের পরিবর্তে মহিষের, পাঠা অথা ভেড়ার দুধ খেতে পারেন। তাছাড়া বাদাম, সয়া দুধ, রাইস দুধ গরুর দুধের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে।
  • – শরীরের একজিমা হলে কোন প্রকার সিল্ক, পলিস্টার জামা পরা যাবে না। সব সময় সুতি কাপড় পরতে হবে। কাপড় এমন ভাবে ধুতে হবে যাতে করে কোন প্রকার ডিটারজেন্ট কাপড়ে না লেগে থাকে। কেননা ডিটারজেন্ট এর কেমিকেল শরীরে চুলকানি সৃষ্টি করতে পারে।
  • – কাজের অথবা মানসিক স্ট্রেস থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে হবে। প্রতিদিনের কাজের মধ্যে কিছু সময় বের করে চোখ বন্ধ করে জোরে জোরে নিঃশ্বাস নিন এবং মনে মনে বলতে থাকুন “ আমি শান্তিতে আছি” অথবা ইয়োগা করুন মানসিক শান্তির জন্য। নিয়মিত গান শুনুন। প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমান।
  • – রোদে, ধুলোবালি তে যতটা কম সম্ভব যাবেন।
  • – যতটা কম সম্ভব রুমে এয়ার কন্ডিশন ব্যবহার করুন। গোসল করার সময় কুসুম গরম পানি ব্যবহার করুন।
  • – প্রাত্যহিক জীবনে যেসব প্রসাধনী ব্যবহার করছেন সেগুলোর দিকেও অনেক খেয়াল রাখতে হবে। এন্টিব্যাক্টেরিয়াল , ডিওডেরন্ট জাতীয় জিনিস ব্যবহার করা পরিহার করতে হবে। কেননা এরা ত্বককে আরও শুষ্ক করে দেয়।
  • – যেসব প্রসাধনীতে sodium lauryl sulfate উপাদানটি আছে সেসব সব ধরনের প্রসাধনী ব্যবহার করা বাদ দিতে হবে। এই উপদানটি প্রায় সব ধরনের সাবান এবং শ্যাম্পুতে আছে। এটি ফেনা উৎপাদনে সহায়তা করে। কিন্তু এই উপাদান ত্বকের প্রোটিন ভেঙ্গে দেয় এবং ত্বককে সেন্সেটিভ এবং ড্রাই করে ফেলে।
  • – পেরাবেন যুক্ত প্রসাধনী ব্যবহার করা বাদ দিতে হবে। এই উপাদান আজকাল লিপস্টিক থেকে শুরু করে শ্যাম্পুতেও আছে। এটি ত্বকের জন্য এতোটাই ক্ষতিকর যে ক্যানসারও হতে পারে।
  • – কোকো বাটার, বাদাম তেল ক্রিমের পরিবর্তে ব্যবহার করতে পারেন ( আর ও কিছু নেচারেল তথ্য )

Version Info:-Last Reviewed on 09/10/2013 :- The British Association of Dermatologists , Eczema Research University of Bristol, Prof. Mizanur Rohman, And few advice and article from world wide Health Magazine . Created by H.Kamaly

বিশেষ মুহূর্তে যৌন দুর্বলতা, শুক্র স্বল্পতা, মিলনে সময় সময় কম, লিঙ্গের শিথিলতা সহ যে কোন যৌন সমস্যায় অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং স্থায়ী চিকিৎসা গ্রহন করুন। যোগাযোগ করুন ডাক্তার নাজমুলঃ 01799 044 229

আপডেট পেতে লাইক দিন আমাদের ফেসবুক পেজে

Leave a Reply