উচ্চ রক্ত চাপ (Hypertension) | হেলথ বার্তা
,
শিরোনাম

উচ্চ রক্ত চাপ (Hypertension)

 

“সংকিপ্ত ভাবে সকলের জানা উচিৎ  নিজে বাঁচার জন্য  নিরব ঘাতক ব্যাধি থেকে রেহাই পাওয়ার উপায় “

হেলথ বার্তা: ডাঃ হেলাল কামালিঃ-  ব্লাড প্রেসার (Blood pressure) নামে অতিপরিচিত রোগটির নাম ডাক্তারি ভাষায় হাইপারটেনশন বলা হয় । হাইপারটেনশন রোগটি সকলের না থাকলেও সুস্থ্য অসুস্থ প্রতিটি মানুষেরই ব্লাড প্রেসার থাকে, আসলে হৃদপিন্ড রক্তকে ধাক্কা দিয়ে ধমনীতে পাঠালে ধমণীর গায়ে যে প্রেসার বা চাপ সৃষ্টি হয় তাই হলো ব্লাড প্রেসার। এই চাপ এর একটি স্বাভাবিক মাত্রা আছে আর যখন তা স্বাভাবিক মাত্রা ছাড়িয়ে যায় তখনি তাকে বলা হয় হাইপারটেনশন (Hypertension) বা উচ্চ রক্তচাপ।

প্রেসার সম্মন্দে জানার আগে একটা অনুরোধ থাকবে যাদের পরিবারে হাই প্রেসারের রোগি আছেন তিনিদের আর্থিক অবস্তা ভাল থাকলে একটা প্রেসার মেশিন কিনে রাখবেন । কারন কোন এক সময় আপনার কাজে না লাগলে ও আপনার পড়া প্রতিবেশীর একটু সাহায্য পেতে পারেন আপনার কাছ থেকে। তবে ইলেক্ট্রনিক প্রেসার মেশিন কিনলে চার্জের দিকে বা ফাংশনের দিকে একটু খেয়াল রাখবেন, মেশিন কিনার পর প্রথম দু একদিন একটু অসুবিধা মনে হলেও দেখবেন কিছুদিন পর প্রেশার মাপার জন্য আপনি দক্ক হয়ে গেছেন “পারসোনাল অনুরোধ” এবং বিশেষ একটি সু খবর জেনে নিন, যাহারা প্রকৃত ধর্ম কর্ম করেন তিনিদের এই অসুখে ভোগার মাত্রা অন্যান্যদের চাইতে ৬৫% কম – ( ইসলাম এন্ড সাইন্স )

একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের রক্তের চাপ বা ব্লাড প্রেসার হবে ১২০/৭৫ মিলি মিটার । ইহা দু ভাগে ভিবক্ত ১- সিস্টেলিক ( মেশিনের উপরের উপরের লেভেল ) ৯০ + ৩০ =১২০ ( +/- ১০/১৫ কম বেশী হলে তেমন অসুবিধা নাই ২- মেশিনের নিচের লেভেল ( বা বয়সের কারণে এর কিছু বেতিক্রম হয় যা ( বয়স + ৯০ ) ঠিক তদ্রুপ ২- ডায়াস্টিলিকের বেলায় ৯০- ৩০=৬০ ( +-১০/১৫ ) এর উপরে হলেই মনে করতে হবে হাই ব্লাডপ্রেশার – অর্থাৎ ১২০/৭৫ নরমাল প্রেসার মনে করে , যে কোন মানুষের একবার প্রেশার মাপার পর পুনরায় ১/২ মিনিট অপেক্কা করে আবার প্রেসার চেক করে দেখবেন সামান্য কিছু পরিবর্তন আছে তাই তিন বার এক সাথে মাপা উচিৎ – ঠিক সেভাবে দিনে দুবার করে ৩/৫ দিন এক সপ্তাহ চেক করার পর ও যদি দেখেন আপনার বয়সের সাথে যোগ করে রক্তের চাপ একটু বেশী আছে তখন আপনার উচিৎ আপনার চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ নেওয়া।  যেমনঃ রোগের প্রাথমিক অবস্থায় অনেক সময়ই রোগীর কোনো অভিযোগ থাকেনা। তবে কিছু রোগী মাথার পিছনের দিকে ব্যাথা, বেশী প্রসাব হওয়া, হঠাৎ হঠাৎ ঘেমে যাওয়া, বুক ধড়ফর , অনেকের দুটি চোখ লাল হয়ে যায় বা জাপ্সা দেখেন ইত্যাদি এবং পরবর্তীতে ব্লাড প্রেসার খুব বেশী হলে উপসর্গ ও বৃদ্ধি পেতে পায়।

তবে আমার অনুরুধ সকলের কাছে যেহেতো বাল্ড প্রেশার একটি নিরব ঘাতক ব্যাধির লকন তাই প্রথম অবস্তায় ধরা পড়লেই আপনি চেস্টা করবেন জানতে আপনার কোন কারণে প্রেশার হাই হল, ভুলেও অবহেলা করবেন না – আর তখন অনেক সময় আপনার জীবন যাত্রা, খওয়া দাওয়ার মান ইত্যাদির পরিবতন করলে ঠিক হয়ে যেতে পারে – আর যদি ভাগ্য খারাপ থাকে তখন দেখবেন শরীরের কিডনি, হার্ট বা অন্য একটা ফাংশনের অসুবিধা ধড়া পড়েছে, সে জন্য আগে ভাগে সতর্ক বা চিকিৎসা করাতে পেরে অনেক সময় বড় ধর বিপদ থেকে রেহাই পেতে পারেন বলে আমি মনে করি। এর পর ও শতকরা ৯০% প্রেসার হাই হওয়ার কারন অজানাই থকে গেল যার মাত্র ১০% রোগের কারণে হয়ে থাকে ।

কারন হাই প্রেশারের প্রাথমিক পর্যায়ে তেমন বেশী কিছু লক্ষন দেখা যায় না  তার পর ও যেমনঃ মাথার মাথার পিছনের দিকে ব্যাথা, বেশী প্রসাব হওয়া, হঠাৎ হঠাৎ ঘেমে যাওয়া, বুক ধড়ফর করা, বমি হওয়া , চোখের দৃষ্টি সমস্যা , কিছুটা শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা বা হঠাত্ করে টলে পড়ে যাওয়া,ঘুম কম হওয়া,নাক দিয়ে রক্ত পড়া ইত্যাদি উপসর্গ থাকতে পারে । তবে ব্লাড প্রেসার খুব বেশী হলে উপসর্গ ও বৃদ্ধি পেতে পারে।

সেকেন্ডারি পর্যায়ে যে বাল্ড প্রেসার ধরা পড়ে তা মুলত শরীরের যে কোন অঙ্গের রক্ত সাপ্লাইয়ের ব্যাঘাত জনিত কারন অবশ্যই থাকবে। তার মধ্যে হার্টের যে কোন অসুবিধা স্নায়ু জনিত বা হার্টের ইনফেকশন জাতীয় বা শিরা ধমনী ইত্যাদির যে কোন ব্যাঘাতে, তবে মনে রাখবেন হার্টের গোলাজোগের প্রাথমিক কোন রোগের লক্কন দেখা দিলেই, আপনি ভাল একজন হার্ট স্পেসিয়ালিস্ট কে দেখানু সবচেয়ে উত্তম। অবশ্য আপনার জিপি বা হাউস ফিজিশিয়ান এ ব্যাপারে আর ভাল পরামর্শ দিবেন।  কিন্তু আমার মতে একটু ও গাফলাতি করবেন না  এ ছাড়া মেজরিটি রোগীর দেখা যায় কোন এক সময় মস্তিষ্কের সুক্ক শিরায় আঘাত করে দেহ পেরালাইস বা ঐ জাতীয় মারাত্মক কিছু হয়ে যায় ( স্ট্রোক ) কিন্তু এ ধরনের অসুখে জন্য মুলত অসাবধানতাই বেশী দায়ী। এ ছাড়া অনিয়ন্ত্রিত হাইপারটেনশন, চোখের রেটিনার প্রভুত ক্ষতি সাধন ও অন্ধত্ব, হৃদপিন্ডের দেয়ালের পুরুত্ব বাড়ানো, হার্ট এটাক ও হার্ট ফেইলুর, সহ বিভিন্ন জটিল জটিল রোগের কারণ হতে পারে উচ্চ রক্তচাপ বা অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ দীর্ঘ সময় থাকলে হৃদপিণ্ডের রক্তনালিতে চর্বির আস্তর জমে ব্লকেজ হতে পারে এবং রক্তপ্রবাহ বাধা পাওয়ার ফলে Ischemic heart disease হতে পারে, যা হৃদপিণ্ডের একটি ভয়াবহ রোগ। মুলত ইহা রক্ত নালি বা হার্টের ভিতর চর্বি জমেই হয়ে থাকে।

কিডনির অসুখে ( নেফ্রআইটিস , অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি ও পিটুইটারি গ্রন্থির টিউমার) বা যাহারা ডায়াবেটিসে ভুগতেছেন ( এ ধরনের রোগীদের হাই ব্লাড প্রেসার থাকতে পারে তবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকলে অনেক সময় প্রেসার ও নিয়ন্ত্রণে চলে আসে)- তবে একটা বিষয় খুভি সতর্ক থাকবেন, আপনার ঔষধ নিবাচনের বেলায়, কারও কারও অনেকের নিজের অজ্ঞতার কারণে বা চিকিৎসক কে ভুজিয়ে বলার অভাবে অথবা অন্যান্য অনেক কারণে ঔষধের রিয়েকশন ঘটতে দেখা যায় বা ইনুসুলিন রেসিস্টেন্সের কারণে ও হতে পারে – বিশেষ করে অতি বয়স্ক বা মানসিক রোগীদের বেলায় গারজিয়ান কে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ থাকল।  অর্থাৎ এসব বিষয়ে সতর্ক না থাকলে, শেষ পর্যন্ত দুটি কিডনি নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্বাভনা থাকতে পারে।

হরমোন জনিত কারণে , অথবা কিছু ঔষধ জনিত কারণে নেসিড , জন্ম নিয়নন্ত্রনের ঔষধ। কোস্ট্রারয়েড , ইত্যাদি ( buprofen =Motrin, Advil= and naproxen =Aleve=birth control pills, pseudoephedrine ইত্যাদি ), গর্ভবতী মায়ের যদি উচ্চরক্ত চাপ থাকে তবে গর্ভকালীন সময় তা জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। তবে গর্ভ অবসানের পর তা আর থাকে না বা অনেক সময় যৌনকাজে অক্ষমতা ও প্রকাশ পায়- বংশ গত কারণে ও হতে পারে ( তবে বর্তমান এক জরিফে দেখা যায় ইহা মহিলাদের চাইতে পুরুষদের বেশী হয়।

উচ্চ রক্ত চাপের বেলায় কি কি নিষেধ ও করা উচিৎ জেনে নিনঃ যেহেতু উচ্চ রক্ত চাপের প্রাথমিক চিকিৎসা ই হচ্ছে জীবন যাত্রার ধারা ও কিছু খাদ্যের বেলায় বিশেষ সতকতা – তাই অনুগ্রহ করে তা মনে রাখবেন এবং অন্য কে ও উৎসাহিত করবেন। চর্বি জাতীয় খাবার সম্পূর্ণ বর্জন করবেন যেমনঃ  ডিমের কুসুম, কলিজা, মাছের ডিম, খাসি বা গরুর চর্বিযুক্ত মাংস, হাস-মুরগীর চামড়া, হাড়ের মজ্জা, ঘি, মাখন, ডালডা,মার্জারিন, গলদা চিংড়ি, নারিকেল ইত্যাদির দ্বারা তৈরী খাবার।  চেস্টা করবেন কোলেস্টারল ফ্রি খাবার তবে- শাক, সবজি-বিশেষত খোসা সহ সবজি যেমন ঢেড়স, বরবটি, সিম ইত্যাদি, সব ধরনের ডাল, টক জাতীয় ফল বা খোসা সহ ফল ইত্যাদি। – লবন জাতীয় খাবার থেকে দূরে থাকবেন ( বিশেষ করে কাচা লবন খাবেন না )।

  (এই বিষয়গুলোর উপর ভিডিও বা স্বাস্থ্য বিষয় ভিডিও দেখতে চাইলে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি - ঠিকানা - YouTube.com/HealthBarta)

মানসিক দুশ্চিন্তা যত টুকু পারেন কমিয়ে নিবেন , ব্যায়াম অবশ্যই একটা জরুরী বিষয় তবে হার্টের বা কিডনির অসুখ জনিত কারণে হলে বেশী করা ঠিক হবে না। ধুমপান সম্পূর্ণ নিষেধ, মদ বা গাঁজা জাতীয় কিছুর অভ্যাস থাকলে তা থেকে বিরত থাকবেন  প্রেশার প্রথমে প্রতিদিন করালে ও পরে সপ্তায় একদিন চেক করালে হয়। আমি চাইতেছি আপনি যদি হার্টের রোগি হন, তা হলে হার্ট সম্বন্ধে সাধারণ একজন মানুষের চাইতে আপনার একটু বেশী জানার দরকার। সে জন্য বিশেষজ্ঞদের লিখা বই সমূহ পড়ে আর বিশধ ভাবে জানা উচিৎ। অতিরিক্ত রাত জেগে থাকা বা উক্তেজিত ও ভয়ঙ্কর জাতীয় ছবি দেখা থেকে বিরত থাকবেন। ” অবশ্য আরেকটি বিষয় মনে রাখা ভাল, সব সময় যে কোন ধরনের সংবাদ, বিশেষ করে খারাপ সংবাদ সমূহ কে সহজ ভাবে গ্রহন করতে অভ্যস্ত থাকতে চেস্টা করবেন, গুরুত্ব সহকারে না দেখে ”   প্রস্রাব পায়খানার দিকে লক্ক রাখবেন, বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীদের বেলায় অবশ্যই  আরেকটি জরুরী বিষয় হচ্ছে , কারও একবার হাই প্রেসার মানেই কিন্তু স্তায়ি উচ্চ রক্ত চাপ ভাবা ঠিক না, অন্তত পর্যায় ক্রমে ২/৩ দিন প্রেসার চেক করে দেখার পর ভাববেন আরেকটি অনুরুধ যাহারা উচ্চ পর্যায়ের প্রেসারের রোগি তাহারা হটাত করে কোন অবস্তায় ভুলে ও ঔষধ খাওয়া বন্ধ করবেন না  ( কারন এ ধরনের ভুলের কারণে আমাদের দেশের অনেকর শেষ পরিনিতি যা তাই দেখতেছি !! কারন হয়তো এই ঔষধ খাওয়ার কারণে আপনার প্রেসার নিয়ন্ত্রনে আছে – হা ছাড়বেন ধীরে ধীরে আপনার চিকিৎসকের পরামশ অনুসারে অবশেষে দেখবেন আপনি পূর্ণ সুস্থ )।

মেদ ভুড়ি থাকলে তা আগে ভাগেই নিয়ন্ত্রণে আনার চেস্টা করা উচিৎ – কারন বেশী ওজনের জন্য হার্টের কাজ ও বেশী করতে হয় । ইহা ও একটা অভিসাপ আমাদের সমাজের জন্য বিশেষ করে ডায়াবেটিস তো হবেই ৮১% – তবে যাহারা অলস তাদের বেলায় ইহা বেশী হয় ( ইউকে মেডি। জার্নাল )  ফাস্ট ফুড (fast food), কেক, পুডিং, আইসক্রিম,বোতল জাত কোমল পানীয় না খাওয়া ভাল। আপনি কি জানেন আমাদের এশিয়ানদের রক্ত নালি সুরু অন্যান্য জাতির চাইতে এ ছাড়া খাবারে লবন জাতীয় পরিমান আমরা বেশী , বা অন্যান্য মশ্লা জাতীয় খাবে আমরা বেশ খাই, তাই শিরা ধমনী সংকুচিত হওয়ায় আমাদের উচ্চ রক্ত চাপের সহ্য কমতা মাদের কম।  এ ছাড়া অতিরিক্ত রাগ, উত্তেজনা, ভীতি এবং মানসিক চাপ ইত্যাদি ও প্রেসার বাড়ার জন্য দায়ী, তাই যত টুকু পারেন কমিয়ে দিবেন- অর্থাৎ যত পারেন জঞ্জাল পূর্ণ বিষয় এড়িয়ে চলার চেস্টা করবেন।

হাই ব্লাড প্রেসারে সাধারণ যে পরীক্ষার কথা বলা হয়ঃ  তার ইসিজি, ইকো (কালার ডপলার) ইটিটি, সিএক্সআর সাথে রক্ত পরিক্কা অবশ্যই দরকার।

চিকিৎসাঃ মনে রাখবেন নিম্নের কোন ঔষধ আপানার চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া খাবেন না কারন ইহা অনেক সময় আপনার মারাত্মক বিপদ ডেকে আনতে পারে, তাই ব্রেন্ড নাম দিয়েই শেষ করলাম।

প্রাথমিক যে চিকিৎসা তা মুলত আপনার জিবন যাত্রার মান পরিবর্তনের উপর নির্ভর করবে – এর পর ও কারন বিহীন উচ্চ রক্ত চাপে চিকিৎসকরা যে ঔষধ ব্যাবহার করেন – তা হচ্ছে Beta blockers হিসাবে , Atenolol (Tenormin), Bisoprolol(Zebeta),Metoprolol (Lopressor, Toprol X) Nadolol (Corgard), বা Angiotensin-converting enzyme (ACE) inhibitors — হিসাবে,Captopril (Capoten) -Enalapril (Vasotec)-Fosinopril (Monopril)- ইত্যাদি গ্রোফের ঔষধ ব্যাবহার করে থাকেন এবং কোন কোন কেত্র বিশেষ সাথে ডাইরেটিক ঔষধ ও ব্যাবহার করে থাকেন যেমনঃ Furosemide (Lasix) ইত্যাদি, তবে এই ঔষধ সব সময়ের জন্য নয় ( দীর্ঘ দিন ব্যাবহার করলে শরীরের অন্যান্য সমস্যা সেখা দেয়- যার কারণে ডায়রিটিক কিছুদিন বেবহারের পর আপনার চিকিৎসক কে জিজ্ঞাস করবেন বাদ দিতে পারেন কি না ) এবং রক্ত নালির ভিতর ফেট কমানোর জন্য বা তাড়ানোর জন্য আর বিশেষ কিছু ঔষধ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ব্যাবহার করে থাকেন ( এর বেশী- একজন স্বাস্থ্য সহকারীর -জানার প্রয়োজন মনে করলে অনুগ্রহ পূর্বক প্র্যাকটিস অফ মেডিসিন বা ঐ জাতীয় কিছু বই পড়ে জেনে নিতে পারেন )।

হারবালঃ জরুরী অবস্তায় আধুনিক চিকিৎসাই আমার মতে উত্তম তবে দীর্ঘ দিন ধরে যাহারা উচ্চ রক্ত চাপে ভুগিতেছেন তাহারা অল্টারনেটভ হিসাবে ব্যাবহার করতে পারেন যা সাথে এলোপেথ ঔষধ চললে ও অনেক সময় অসুবিধা হয়না western herbal : – ১- Cap Stresx দিনে দুবার ( মোটা মোটি ভাল রেজাল্ড দিতেছে বলে অনেকের ধারনা – যা হার্টের অসুখে বেশ কার্যকর এবং পার্স প্রতিক্রিয়া তেমন নেই ) ২-Caap cardio clear 250mg ( কোলেস্টারল জাতীয় উচ্চ রক্ত চাপে খুভি ভাল কিন্তু এখন একটু দামি বিধায় সকলের জন্য সহজ লভ্য না হতে পারে ) ৩- HBP Control ( USA ) tab খুভি জন প্রিয় উচ্চ রক্ত চাপের জন্য – ৪- Cap.Garlic ( রক্তের কোলেস্টারল কমাতে খুভি জনপ্রিয় ) আমার মতে ইমারজেন্সি কেইস ছাড়া যাহারা দীর্ঘ দিন ধরে উচ্চ রক্ত চাপ্র ভুগতেছেন তাহারা এই সব ঔষধ সেবন করে দেখতে পারেন ( তবে ভাল ব্যান্ডের ঔষধ যেন হয় )।

আকুপ্নাচারে তেমন ভুমিকা নাই বিধায় কিছু লিখলাম না ।।

নিচে প্রাকৃতিক উপায়ে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে হলে বিশেষজ্ঞরা ১৩টি প্রাকৃতিক উপায়ের কথা বলেছেন। ( বাংলাদেশের খ্যাতনামা চিকিৎসকদের উপদেশ )

উপায়গুলো হচ্ছে

 ১. ব্যায়াম: দৈনিক অন্তত আধা ঘণ্টা ব্যায়ামের ফলে উচ্চ রক্তচাপ ৬ থেকে ৮ ইউনিট কমে যায়।
২. মেডিটেশন: ইয়োগা বা মেডিটেশন রক্তচাপ কমায়। উন্মুক্ত বাতাসে অন্তত পাঁচ মিনিট ধীরে ধীরে এবং দীর্ঘ দম নিলে রক্তচাপ কমে।
৩. আলু খান: পটাশিয়াম সমৃদ্ধ শাকসবজি বেশি খেতে হবে। এক্ষেত্রে বেশি আলু খাওয়াই হতে পারে রক্তচাপ কমানোর উৎকৃষ্ট উপায়।
৪. লবণ পরিহার: কাঁচা লবণ খাওয়াই যাবে না। যথাসম্ভব খাবারেও লবণ কমাতে হবে। দৈনিক ১৫০০ মিলিগ্রামের বেশি লবণ খাওয়া নয়।
৫. চকোলেট খান: কালো চকোলেট খাওয়া যেতে পারে। তা ধমনিকে আরো স্থিতিস্থাপক করে।
৬. মদপান নয়: উচ্চ রক্তচাপ কমাতে মদ্যপান বর্জন করতে হবে।
৭. ধূমপানও নয়: রক্তচাপ কমাতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ধূমপান বর্জন করতে হবে।
৮. চা খান: চা খাওয়া যেতে পারে দৈনিক তিন কাপ। এক গবেষণায় দেখা গেছে, দৈনিক তিন কাপ চা ছয় সপ্তাহের মাথায় সাত পয়েন্ট রক্তচাপ কমিয়ে আনে।
৯. কফি পান নয়: গবেষণায় জানা গেছে, কফি অর্থাৎ ক্যাফেইন রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়।
১০. কাজ করুন পরিমিত: সপ্তাহে ৪১ ঘণ্টার বেশি কাজ রক্তচাপ ১৫ শতাংশ বেড়ে যায়।
১১. গান শুনুন: ক্ল্যাসিক কিংবা ধীরলয়ের গান শুনুন। গান শোনার সময় শ্বাস-প্রশ্বাসে গতি আসবে। এত করে রক্তচাপও কমবে।
১২. নাক ডাকা: ঘুমের মধ্যে নাক ডাকার অভ্যাস থাকলে তা বর্জন করার চেষ্টা করুন। নাক ডাকলে ঘুম কম হয়, রক্তচাপ বেড়ে যায়।
১৩. সয়া খাবার: শর্করা জাতীয় খাবারের পরিবর্তে সয়াজাতীয় বা নিম্নচর্বির দুগ্ধজাত খাবার খাওয়ার ফলে উচ্চ রক্তচাপ কমে।

– ধন্যবাদ

আপডেট পেতে লাইক দিন আমাদের ফেসবুক পেজে